বাগেরহাটের কচুয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ও ফায়ার সার্ভিস।
শুক্রবার (২০ মে) ভোররাতে কচুয়া বাজারের ব্রিজ সংলগ্ন মঘিয়া এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে আটটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও আরও কয়েকটি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাফর মোল্লা জানান, ভোররাতে একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। বাজারের পাহারাদার আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে আটটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে একটি সেলুন ও লন্ড্রি, একটি বড় মুদি দোকান, একাধিক চায়ের দোকান, সার ও কীটনাশকের দোকান, ভ্যারাইটিজ স্টোর এবং মিষ্টি তৈরির জালঘর (মিষ্টির দোকান) রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এ ঘটনায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ঈদের আগের দিন এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটের কচুয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ও ফায়ার সার্ভিস।
শুক্রবার (২০ মে) ভোররাতে কচুয়া বাজারের ব্রিজ সংলগ্ন মঘিয়া এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে আটটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও আরও কয়েকটি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাফর মোল্লা জানান, ভোররাতে একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। বাজারের পাহারাদার আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে আটটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে একটি সেলুন ও লন্ড্রি, একটি বড় মুদি দোকান, একাধিক চায়ের দোকান, সার ও কীটনাশকের দোকান, ভ্যারাইটিজ স্টোর এবং মিষ্টি তৈরির জালঘর (মিষ্টির দোকান) রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এ ঘটনায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ঈদের আগের দিন এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন