সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
জামাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিশুসহ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন মুসল্লি অংশ নেন।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন কয়েকটি গ্রামের বেশ কিছু মুসল্লি। দেশের প্রচলিত নিয়মের একদিন আগেই এই ঈদ পালিত হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের মধ্যপাড়ায় আহলে হাদিস সম্প্রদায়ের অনুসারীরা এই ঈদের নামাজ আদায় করেন। জামাতে ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেন আমিনুল ইসলাম।

এর আগে সকাল থেকেই গাইবান্ধা সদর, পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হেঁটে, বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেলে করে তালুক ঘোড়াবান্ধা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকেন মুসল্লিরা। পরে স্থানীয় একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জামাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিশুসহ প্রায় ৩০-৪০ জন মুসল্লি অংশ নেন। নামাজ শেষে তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

ঈদের নামাজ পড়তে আসা তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের সাহারুল ইসলাম (৩৩) ও সোলায়মান (৪৮) বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়তেই আজ সকালে এখানে এসেছি। আমরা সবাই মিলে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলাম। এভাবেই গত ১০ বছর ধরে আমরা ঈদ পালন করে আসছি।'

একই গ্রামের মোস্তফা বলেন, ‘আমাদের গ্রামের ৮-১০টি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছে।’

গাইবান্ধা সদর উপজেলার হাসপাতাল বালুয়া এলাকার সেলিম (৪৫) বলেন, ‘দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আমি ও আমার পরিবার সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছি।'

সদর উপজেলার বড় দুর্গাপুর গ্রামের আব্বাস আলী (২২) বলেন, 'আমি ও আমার বাবাসহ এখানে ঈদের সালাত আদায় করলাম। আমাদের পরিবারের সবাই আজ ঈদ উদযাপন করছে। প্রায় ৭ বছর ধরে আমরা এভাবে নামাজ আদায় করে আসছি।'

এদিকে, একদিন আগে ঈদ পালনকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য থানা-পুলিশের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬


গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন কয়েকটি গ্রামের বেশ কিছু মুসল্লি। দেশের প্রচলিত নিয়মের একদিন আগেই এই ঈদ পালিত হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের মধ্যপাড়ায় আহলে হাদিস সম্প্রদায়ের অনুসারীরা এই ঈদের নামাজ আদায় করেন। জামাতে ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেন আমিনুল ইসলাম।

এর আগে সকাল থেকেই গাইবান্ধা সদর, পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হেঁটে, বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেলে করে তালুক ঘোড়াবান্ধা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকেন মুসল্লিরা। পরে স্থানীয় একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জামাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিশুসহ প্রায় ৩০-৪০ জন মুসল্লি অংশ নেন। নামাজ শেষে তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

ঈদের নামাজ পড়তে আসা তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের সাহারুল ইসলাম (৩৩) ও সোলায়মান (৪৮) বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়তেই আজ সকালে এখানে এসেছি। আমরা সবাই মিলে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলাম। এভাবেই গত ১০ বছর ধরে আমরা ঈদ পালন করে আসছি।'

একই গ্রামের মোস্তফা বলেন, ‘আমাদের গ্রামের ৮-১০টি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছে।’

গাইবান্ধা সদর উপজেলার হাসপাতাল বালুয়া এলাকার সেলিম (৪৫) বলেন, ‘দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আমি ও আমার পরিবার সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছি।'

সদর উপজেলার বড় দুর্গাপুর গ্রামের আব্বাস আলী (২২) বলেন, 'আমি ও আমার বাবাসহ এখানে ঈদের সালাত আদায় করলাম। আমাদের পরিবারের সবাই আজ ঈদ উদযাপন করছে। প্রায় ৭ বছর ধরে আমরা এভাবে নামাজ আদায় করে আসছি।'

এদিকে, একদিন আগে ঈদ পালনকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য থানা-পুলিশের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত