দীর্ঘ ৩৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে একই সাথে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল শনিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে তারা ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। ১৯৮৯ সালের পর এই প্রথম দেশের শীর্ষ দুই ব্যক্তিত্বকে একই ঈদগাহে একত্রে নামাজ আদায় করতে দেখবে জাতি।
সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির কারণে জাতীয় ঈদগাহে প্যান্ডেল এবং অবকাঠামো সুরক্ষায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলা করে মুসল্লিরা যেন নির্বিঘ্নে নামাজ পড়তে পারেন, সেজন্য ওয়াটারপ্রুফ শামিয়ানা ও বিশেষ ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তা বলয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ ৩৬ বছর পর একই ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
নামাজ আদায়ের এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এটি জাতীয় ঐক্য এবং সম্প্রীতির এক শক্তিশালী বার্তা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। সর্বশেষ ১৯৮৯ সালে এরশাদ সরকারের আমলে এমন দৃশ্য দেখা গিয়েছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে। যদি অতি বৃষ্টির কারণে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া সহনীয় থাকলে জাতীয় ঈদগাহেই ঐতিহাসিক এই মিলনমেলা সম্পন্ন হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
প্রটোকল অনুযায়ী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
দীর্ঘ ৩৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে একই সাথে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল শনিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে তারা ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। ১৯৮৯ সালের পর এই প্রথম দেশের শীর্ষ দুই ব্যক্তিত্বকে একই ঈদগাহে একত্রে নামাজ আদায় করতে দেখবে জাতি।
সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির কারণে জাতীয় ঈদগাহে প্যান্ডেল এবং অবকাঠামো সুরক্ষায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলা করে মুসল্লিরা যেন নির্বিঘ্নে নামাজ পড়তে পারেন, সেজন্য ওয়াটারপ্রুফ শামিয়ানা ও বিশেষ ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তা বলয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ ৩৬ বছর পর একই ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
নামাজ আদায়ের এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এটি জাতীয় ঐক্য এবং সম্প্রীতির এক শক্তিশালী বার্তা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। সর্বশেষ ১৯৮৯ সালে এরশাদ সরকারের আমলে এমন দৃশ্য দেখা গিয়েছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে। যদি অতি বৃষ্টির কারণে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া সহনীয় থাকলে জাতীয় ঈদগাহেই ঐতিহাসিক এই মিলনমেলা সম্পন্ন হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
প্রটোকল অনুযায়ী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন