ঈদ মানেই শিশুদের উৎসব। নতুন জামা, জুতো আর সালামির অপেক্ষায় তারা গুনে রাখে দিন। কিন্তু শরণখোলার রাজৈর গ্রামের ছোট্ট জুবায়েরের জন্য ঈদ এলো শোকের নাম হয়ে। নিজের পছন্দের নতুন জামা আর জুতো পরার সুযোগটুকুও হলো না তার। ঈদের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে বাড়ির পাশের লেকের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে শিশু জুবায়েরের।
শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে সবার অলক্ষ্যে বাড়ির পাশের ওয়াপদা বেড়িবাঁধ সংলগ্ন লেকের পাড়ে গেলে পানিতে পড়ে যায় জুবায়ের। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জুবায়েরের বাবা হালিম মল্লিক পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। আর্থিক দৈন্যতার মধ্যেও ছেলের জন্য ঈদের নতুন জামা আর জুতো কিনে এনেছিলেন তিনি। রায়েন্দা বাজার থেকে কেনা সেই জামা-জুতো খুব পছন্দ করেছিল জুবায়ের। কিন্তু পছন্দের সেই পোশাক পরার সৌভাগ্যটুকুই হলো না তার।
শোকে বিহ্বল পিতা হালিম মল্লিক আহাজারি করে বলছিলেন, “ছেলের জন্য ঈদের জামা-জুতো কিনে এনেছিলাম। ওকে জামা-জুতো খুব পছন্দ হয়েছিল। কিন্তু নতুন জামা-জুতো পরতে দেখতে পেলাম না। আজ ওকে কোলে নিয়ে কাঁদছি।”
নতুন পোশাকে প্রিয় সন্তানের ছুটে বেড়ানো দেখার স্বপ্ন ছিল পিতার। কিন্তু বাস্তবে এসেছে বিষাদের করুণ কান্না। ঈদের আনন্দের বদলে রাজৈর গ্রামের কাঠমিস্ত্রি হালিম মল্লিকের বাড়িতে এখন শুধুই শোকের মাতম। শিশু জুবায়েরের অকালমৃত্যুতে পুরো রাজৈর গ্রামেই যেন নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসবের মধ্যেই শিশুদের সালামি ও নতুন পোশাক পরার উৎসব মুখর থাকে। কিন্তু এই ঈদে হালিম মল্লিকের পরিবারের জন্য সেটা হয়ে থাকল চিরদিনের বেদনার নাম।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদ মানেই শিশুদের উৎসব। নতুন জামা, জুতো আর সালামির অপেক্ষায় তারা গুনে রাখে দিন। কিন্তু শরণখোলার রাজৈর গ্রামের ছোট্ট জুবায়েরের জন্য ঈদ এলো শোকের নাম হয়ে। নিজের পছন্দের নতুন জামা আর জুতো পরার সুযোগটুকুও হলো না তার। ঈদের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে বাড়ির পাশের লেকের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে শিশু জুবায়েরের।
শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে সবার অলক্ষ্যে বাড়ির পাশের ওয়াপদা বেড়িবাঁধ সংলগ্ন লেকের পাড়ে গেলে পানিতে পড়ে যায় জুবায়ের। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জুবায়েরের বাবা হালিম মল্লিক পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। আর্থিক দৈন্যতার মধ্যেও ছেলের জন্য ঈদের নতুন জামা আর জুতো কিনে এনেছিলেন তিনি। রায়েন্দা বাজার থেকে কেনা সেই জামা-জুতো খুব পছন্দ করেছিল জুবায়ের। কিন্তু পছন্দের সেই পোশাক পরার সৌভাগ্যটুকুই হলো না তার।
শোকে বিহ্বল পিতা হালিম মল্লিক আহাজারি করে বলছিলেন, “ছেলের জন্য ঈদের জামা-জুতো কিনে এনেছিলাম। ওকে জামা-জুতো খুব পছন্দ হয়েছিল। কিন্তু নতুন জামা-জুতো পরতে দেখতে পেলাম না। আজ ওকে কোলে নিয়ে কাঁদছি।”
নতুন পোশাকে প্রিয় সন্তানের ছুটে বেড়ানো দেখার স্বপ্ন ছিল পিতার। কিন্তু বাস্তবে এসেছে বিষাদের করুণ কান্না। ঈদের আনন্দের বদলে রাজৈর গ্রামের কাঠমিস্ত্রি হালিম মল্লিকের বাড়িতে এখন শুধুই শোকের মাতম। শিশু জুবায়েরের অকালমৃত্যুতে পুরো রাজৈর গ্রামেই যেন নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসবের মধ্যেই শিশুদের সালামি ও নতুন পোশাক পরার উৎসব মুখর থাকে। কিন্তু এই ঈদে হালিম মল্লিকের পরিবারের জন্য সেটা হয়ে থাকল চিরদিনের বেদনার নাম।

আপনার মতামত লিখুন