ঈদ মানেই আনন্দ। আর সেই আনন্দের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়ার জন্য ব্যতিক্রমী এক আয়োজন করেছেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। নিজ নির্বাচনী এলাকার সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের নিয়ে তাঁর বাড়িতে আয়োজন করেছেন দুই দিনব্যাপী নতুন জামা ও মেহেদি উৎসব।
শুক্রবার প্রথম দিনে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এলাকা থেকে প্রায় শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে সংগ্রহ করে নিয়ে আসা হয় এমপির বাড়িতে। সবার আগে সংসদ সদস্য নিজ হাতে শিশুদের পরিয়ে দেন নতুন পোশাক। নতুন জামা পরে শিশুদের মুখে যেন ফুটে ওঠে এক অন্য রকম উৎসবের আমেজ।
তারপর শুরু হয় মেহেদির আয়োজন। সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী, পুত্রবধূ, মেয়ে, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সহধর্মিণী, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহধর্মিণীসহ এমপি পরিবারের মহিলা সদস্যরা প্রতিটি শিশুর হাতে তুলে দেন মেহেদির সাজ। ছোট ছোট হাতগুলো যখন মেহেদিতে রাঙানো হয়, তখন যেন ঈদের আনন্দের আরেক রূপ দেখতে পাওয়া যায়।
শুধু পোশাক আর মেহেদি দিয়ে থেমে থাকেননি তিনি। শিশুদের নিয়ে ঘুরে বেড়ানো হয় মৌলভীবাজারের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন এলাকায়। প্রত্যেককে দেওয়া হয় খাবারের প্যাকেট। শিশুদের চোখে-মুখে ছিল আভরণের আলো।
এ সময় উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য অতিথিরা।
বক্তারা বলেন, সংসদ সদস্য হাজি মুজিবুর রহমান চৌধুরী সাংসদ হওয়ার অনেক আগে থেকেই মানবিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে এমন আয়োজন নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম ও উদার মননের বহিঃপ্রকাশ।
সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমি আমার এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত, পথশিশু—এই শব্দগুলোই উঠিয়ে দিতে চাই। এদের জীবনমান উন্নয়নে আমি কাজ করব। প্রত্যেক শিশুকেই বিদ্যালয়মুখী করব।”
ঈদের আনন্দ যেন সবার জন্য সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে- এই প্রত্যয়ে পথশিশুদের নিয়ে এমন আয়োজন আলোচনার সৃষ্টি করেছে এলাকায়। শিশুদের হাতে মেহেদির রঙ যেমন ধীরে ধীরে গাঢ় হচ্ছে, তেমনি হয়তো তাদের মনে গেঁথে যাচ্ছে এই ব্যতিক্রমী ঈদের স্মৃতি।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদ মানেই আনন্দ। আর সেই আনন্দের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়ার জন্য ব্যতিক্রমী এক আয়োজন করেছেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। নিজ নির্বাচনী এলাকার সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের নিয়ে তাঁর বাড়িতে আয়োজন করেছেন দুই দিনব্যাপী নতুন জামা ও মেহেদি উৎসব।
শুক্রবার প্রথম দিনে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এলাকা থেকে প্রায় শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে সংগ্রহ করে নিয়ে আসা হয় এমপির বাড়িতে। সবার আগে সংসদ সদস্য নিজ হাতে শিশুদের পরিয়ে দেন নতুন পোশাক। নতুন জামা পরে শিশুদের মুখে যেন ফুটে ওঠে এক অন্য রকম উৎসবের আমেজ।
তারপর শুরু হয় মেহেদির আয়োজন। সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী, পুত্রবধূ, মেয়ে, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সহধর্মিণী, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহধর্মিণীসহ এমপি পরিবারের মহিলা সদস্যরা প্রতিটি শিশুর হাতে তুলে দেন মেহেদির সাজ। ছোট ছোট হাতগুলো যখন মেহেদিতে রাঙানো হয়, তখন যেন ঈদের আনন্দের আরেক রূপ দেখতে পাওয়া যায়।
শুধু পোশাক আর মেহেদি দিয়ে থেমে থাকেননি তিনি। শিশুদের নিয়ে ঘুরে বেড়ানো হয় মৌলভীবাজারের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন এলাকায়। প্রত্যেককে দেওয়া হয় খাবারের প্যাকেট। শিশুদের চোখে-মুখে ছিল আভরণের আলো।
এ সময় উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য অতিথিরা।
বক্তারা বলেন, সংসদ সদস্য হাজি মুজিবুর রহমান চৌধুরী সাংসদ হওয়ার অনেক আগে থেকেই মানবিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে এমন আয়োজন নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম ও উদার মননের বহিঃপ্রকাশ।
সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমি আমার এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত, পথশিশু—এই শব্দগুলোই উঠিয়ে দিতে চাই। এদের জীবনমান উন্নয়নে আমি কাজ করব। প্রত্যেক শিশুকেই বিদ্যালয়মুখী করব।”
ঈদের আনন্দ যেন সবার জন্য সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে- এই প্রত্যয়ে পথশিশুদের নিয়ে এমন আয়োজন আলোচনার সৃষ্টি করেছে এলাকায়। শিশুদের হাতে মেহেদির রঙ যেমন ধীরে ধীরে গাঢ় হচ্ছে, তেমনি হয়তো তাদের মনে গেঁথে যাচ্ছে এই ব্যতিক্রমী ঈদের স্মৃতি।

আপনার মতামত লিখুন