পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে প্রয়াত মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার
(২১ মার্চ) দুপুর পৌনে ১টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে মা-বাবার কবর
জিয়ারত করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর
সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের
শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “বহু বছর পর দেশের মাটিতে
ঈদ উৎসব পালন করতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।”
তিনি
আরও যোগ করেন, “দেশের নাগরিক হিসেবে আল্লাহর কাছে দোয়া করি দেশের মানুষ যেভাবে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করেছে,
আগামী দিনগুলোতে যাতে আরও বেশি শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালন করতে পারে। সেই প্রত্যাশাই করি।”
দেশ গঠনে সাধারণ মানুষের অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশবাসীর কাছে অনুরোধ থাকবে, আপনাদের সহযোগিতা থাকলে এই নির্বাচিত সরকার
জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাবে। দল-মত নির্বিশেষে
সবাই ভালো থাকবেন।”
এ
সময় তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার
গণআন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের বিদেহী
আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
এর আগে সকালে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। নামাজ শেষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনায়’ কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। শুভেচ্ছা বিনিময় পর্ব শেষ করেই তিনি বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে প্রয়াত মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার
(২১ মার্চ) দুপুর পৌনে ১টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে মা-বাবার কবর
জিয়ারত করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর
সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের
শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “বহু বছর পর দেশের মাটিতে
ঈদ উৎসব পালন করতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।”
তিনি
আরও যোগ করেন, “দেশের নাগরিক হিসেবে আল্লাহর কাছে দোয়া করি দেশের মানুষ যেভাবে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করেছে,
আগামী দিনগুলোতে যাতে আরও বেশি শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালন করতে পারে। সেই প্রত্যাশাই করি।”
দেশ গঠনে সাধারণ মানুষের অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশবাসীর কাছে অনুরোধ থাকবে, আপনাদের সহযোগিতা থাকলে এই নির্বাচিত সরকার
জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাবে। দল-মত নির্বিশেষে
সবাই ভালো থাকবেন।”
এ
সময় তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার
গণআন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের বিদেহী
আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
এর আগে সকালে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। নামাজ শেষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনায়’ কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। শুভেচ্ছা বিনিময় পর্ব শেষ করেই তিনি বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

আপনার মতামত লিখুন