ঈদের দিন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার ঐতিহাসিক বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। দুপুর দুটো থেকে শুরু হওয়া এই ভিড় দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেড়ে চলেছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাত্র ৩০ টাকার টিকিট কেটে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন পর্যটকরা।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়তনের এই জমিদার বাড়িটি সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নে অবস্থিত। লবণ ব্যবসায়ী গোবিন্দ রাম সাহা অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই জমিদার পরিবারের গোড়াপত্তন করেন। ঊনবিংশ শতকে নির্মিত প্রাসাদটি প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার জমির ওপর ছড়িয়ে থাকা সাতটি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত।
শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জমিদার বাড়িটিকে কেন্দ্র করে যেন মেলা বসেছে। প্রবেশপথের বাইরে শত শত মোটরসাইকেল আর সারি সারি ব্যক্তিগত গাড়ি। টিকিট কাউন্টারে ছিল হালকা জট। ছোটদের জন্য টিকিট মূল্য ২০ টাকা, আর প্রাপ্ত বয়স্কদের ৩০ টাকা।
সাটুরিয়ার হরগজ পূর্বনগর গ্রামের সুমন একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। সারা বছর পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসার সময় পান না। তাই ঈদের দিন চার সদস্যের পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসেছেন বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে। তিনি জানান, পরিবার নিয়ে ঘুরতে খুব ভালো লাগছে।
বালিয়াটি জমিদার বাড়ির কেয়ারটেকার ইব্রাহিম বলেন, সারা বছরই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসেন এ ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িতে। দুই ঈদ, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি পর্যটকের ভিড় হয়। টিকিটের মূল্য কম এবং ঢাকার কাছে হওয়ায় সবার পছন্দের পর্যটন কেন্দ্র এটি।
শিশুদের কোলাহলে মুখর জমিদার বাড়ি। ছবি: প্রতিনিধি
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ঈদ উপলক্ষে বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে। নাহার গার্ডেন ও সাটুরিয়ায় বাড়তি পর্যটকদের কথা চিন্তা করে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদের দিন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার ঐতিহাসিক বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। দুপুর দুটো থেকে শুরু হওয়া এই ভিড় দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেড়ে চলেছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাত্র ৩০ টাকার টিকিট কেটে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন পর্যটকরা।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়তনের এই জমিদার বাড়িটি সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নে অবস্থিত। লবণ ব্যবসায়ী গোবিন্দ রাম সাহা অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই জমিদার পরিবারের গোড়াপত্তন করেন। ঊনবিংশ শতকে নির্মিত প্রাসাদটি প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার জমির ওপর ছড়িয়ে থাকা সাতটি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত।
শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জমিদার বাড়িটিকে কেন্দ্র করে যেন মেলা বসেছে। প্রবেশপথের বাইরে শত শত মোটরসাইকেল আর সারি সারি ব্যক্তিগত গাড়ি। টিকিট কাউন্টারে ছিল হালকা জট। ছোটদের জন্য টিকিট মূল্য ২০ টাকা, আর প্রাপ্ত বয়স্কদের ৩০ টাকা।
সাটুরিয়ার হরগজ পূর্বনগর গ্রামের সুমন একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। সারা বছর পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসার সময় পান না। তাই ঈদের দিন চার সদস্যের পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসেছেন বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে। তিনি জানান, পরিবার নিয়ে ঘুরতে খুব ভালো লাগছে।
বালিয়াটি জমিদার বাড়ির কেয়ারটেকার ইব্রাহিম বলেন, সারা বছরই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসেন এ ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িতে। দুই ঈদ, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি পর্যটকের ভিড় হয়। টিকিটের মূল্য কম এবং ঢাকার কাছে হওয়ায় সবার পছন্দের পর্যটন কেন্দ্র এটি।
শিশুদের কোলাহলে মুখর জমিদার বাড়ি। ছবি: প্রতিনিধি
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ঈদ উপলক্ষে বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে। নাহার গার্ডেন ও সাটুরিয়ায় বাড়তি পর্যটকদের কথা চিন্তা করে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন