সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

ঈদের নামাজের পরই রণক্ষেত্র গোপীনাথপুর, আহত ১০


প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২৬

ঈদের নামাজের পরই রণক্ষেত্র গোপীনাথপুর, আহত ১০
ঈদের নামাজের শান্তি-সৌহার্দ্যের বার্তা যেন ছুঁয়েও যেতে পারেনি গোপীনাথপুরকে। ছবি: প্রতিনিধি

ঈদের নামাজের শান্তি-সৌহার্দ্যের বার্তা যেন ছুঁয়েও যেতে পারেনি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামকে। সেখানে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে ১৫ থেকে ২০টি বাড়ি।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে চলে এই সংঘর্ষ। ঢাল, সরকি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন দুই গ্রুপের লোকজন। এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন আহত হন। এর জের ধরেই ঈদের নামাজ শেষে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের নামাজ শেষ হতেই দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাঠে নামে। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়ে যায়। সংঘর্ষে এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

ঈদের আনন্দের দিনে এ সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬


ঈদের নামাজের পরই রণক্ষেত্র গোপীনাথপুর, আহত ১০

প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঈদের নামাজের শান্তি-সৌহার্দ্যের বার্তা যেন ছুঁয়েও যেতে পারেনি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামকে। সেখানে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে ১৫ থেকে ২০টি বাড়ি।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে চলে এই সংঘর্ষ। ঢাল, সরকি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন দুই গ্রুপের লোকজন। এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন আহত হন। এর জের ধরেই ঈদের নামাজ শেষে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের নামাজ শেষ হতেই দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাঠে নামে। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়ে যায়। সংঘর্ষে এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

ঈদের আনন্দের দিনে এ সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত