রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে এ যেন এক অন্যরকম ঈদ। পায়েশ-মুড়ি দিয়ে শুরু, দুপুরে পোলাও-মুরগির রোস্ট, গরু-খাসির মাংস আর মিষ্টি। সঙ্গে কোল্ড ড্রিংকস আর পান-সুপারিও ছিল। শুধু খাবার নয়, স্বজনরা দেখতে এলে ফুল দিয়ে বরণ, সরবত আর বসার ব্যবস্থা। আর এ আয়োজনে ভীষণ খুশি কারাবন্দি ও তাদের স্বজনরা।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় কারাগারের অভ্যন্তরে ১২০০-র বেশি বন্দি নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের জামাত। নামাজ শেষে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন তারা। অনেক বন্দিকে দেখা যায় নতুন পাঞ্জাবি-পায়জামা পরে জামাতে শরীক হতে।
স্বজনদের জন্য ছিল বিশেষ আয়োজন। কারাগারের প্রবেশপথে সামিয়ানা টাঙিয়ে বসার জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়। সিনিয়র জেল সুপার একেএম কামরুল হুদা নিজে ফুল দিয়ে স্বজনদের বরণ করে নেন ও সরবত পান করান।
নীলফামারী থেকে আসা আফরোজা ইসলাম বলছিলেন, “স্বামী সামসুলকে দেখতে মেয়ে রাইতাকে নিয়ে এসেছি। কারাগার কর্তৃপক্ষের আচরণ সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।”
কারাগারের ভেতরে একসঙ্গে নামাজ আদায়। ছবি: প্রতিনিধি
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, দুই শতজনের বেশি রাজনৈতিক বন্দিও আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করেছেন। ঈদের পরের দিন স্বজনরা বাড়িতে তৈরি পছন্দের খাবার দিতে পারবেন। বাড়তি সুযোগ হিসেবে মোবাইল ফোনে পাঁচ মিনিট অতিরিক্ত কথা বলার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
স্বজনদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। ছবি: প্রতিনিধি
সিনিয়র জেল সুপার একেএম কামরুল হুদা বলেন, “সব বন্দি একসঙ্গে নামাজ আদায়, কুশল বিনিময়, উন্নতমানের খাবার ও স্বজনদের সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ- সব মিলিয়ে ছিল নানামুখি আয়োজন।”
কারাগারের চার দেয়াল যেন ঈদের আনন্দে রঙিন হয়ে উঠল।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে এ যেন এক অন্যরকম ঈদ। পায়েশ-মুড়ি দিয়ে শুরু, দুপুরে পোলাও-মুরগির রোস্ট, গরু-খাসির মাংস আর মিষ্টি। সঙ্গে কোল্ড ড্রিংকস আর পান-সুপারিও ছিল। শুধু খাবার নয়, স্বজনরা দেখতে এলে ফুল দিয়ে বরণ, সরবত আর বসার ব্যবস্থা। আর এ আয়োজনে ভীষণ খুশি কারাবন্দি ও তাদের স্বজনরা।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় কারাগারের অভ্যন্তরে ১২০০-র বেশি বন্দি নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের জামাত। নামাজ শেষে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন তারা। অনেক বন্দিকে দেখা যায় নতুন পাঞ্জাবি-পায়জামা পরে জামাতে শরীক হতে।
স্বজনদের জন্য ছিল বিশেষ আয়োজন। কারাগারের প্রবেশপথে সামিয়ানা টাঙিয়ে বসার জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়। সিনিয়র জেল সুপার একেএম কামরুল হুদা নিজে ফুল দিয়ে স্বজনদের বরণ করে নেন ও সরবত পান করান।
নীলফামারী থেকে আসা আফরোজা ইসলাম বলছিলেন, “স্বামী সামসুলকে দেখতে মেয়ে রাইতাকে নিয়ে এসেছি। কারাগার কর্তৃপক্ষের আচরণ সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।”
কারাগারের ভেতরে একসঙ্গে নামাজ আদায়। ছবি: প্রতিনিধি
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, দুই শতজনের বেশি রাজনৈতিক বন্দিও আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করেছেন। ঈদের পরের দিন স্বজনরা বাড়িতে তৈরি পছন্দের খাবার দিতে পারবেন। বাড়তি সুযোগ হিসেবে মোবাইল ফোনে পাঁচ মিনিট অতিরিক্ত কথা বলার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
স্বজনদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। ছবি: প্রতিনিধি
সিনিয়র জেল সুপার একেএম কামরুল হুদা বলেন, “সব বন্দি একসঙ্গে নামাজ আদায়, কুশল বিনিময়, উন্নতমানের খাবার ও স্বজনদের সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ- সব মিলিয়ে ছিল নানামুখি আয়োজন।”
কারাগারের চার দেয়াল যেন ঈদের আনন্দে রঙিন হয়ে উঠল।

আপনার মতামত লিখুন