পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপনে মেতে থাকা জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ বাসীদের ওপর এক মর্মান্তিক শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ থানার সামনের ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর থাকা একটি ড্রাম ব্রিজ অতিরিক্ত মানুষের চাপে ভেঙে পড়লে শতাধিক দর্শনার্থী অথৈ পানিতে পড়ে যান।
এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছে আরও দুই শিশু। ঈদের দিনে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকার উৎসবের আমেজ নিমেষেই বিষাদে পরিণত হয়েছে।
নিহত শিশুরা হলো: দেওয়ানগঞ্জ থানার কালুরচর এলাকার শের আলীর ছেলে আব্দুল মোতালেব (৬) ও মেয়ে খাদিজা (১২), এবং ডাকাতিয়াপাড়ার জয়নালের মেয়ে মায়ামনি (১০)।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতি বছর ঈদের দিনে এই ড্রাম ব্রিজ ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি নড়বড়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও আজ বিকেলের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে না পেরে তা মাঝখান থেকে ভেঙে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে শতাধিক মানুষ নদীতে পড়ে গেলে চারদিকে হাহাকার শুরু হয়। অনেকে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কোমলমতি শিশুরা পানির স্রোতে ভেসে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকেই তিন শিশুর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লিডার মুবিন খান এই মর্মান্তিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এখনো দুই শিশু নিখোঁজ রয়েছে এবং তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সন্ধ্যার অন্ধকার ঘনিয়ে আসায় উদ্ধার কাজ কিছুটা ব্যাহত হলেও ব্রহ্মপুত্রের বুকে নিখোঁজ সন্তানদের সন্ধানে স্বজনদের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে দেওয়ানগঞ্জের আকাশ-বাতাস।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপনে মেতে থাকা জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ বাসীদের ওপর এক মর্মান্তিক শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ থানার সামনের ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর থাকা একটি ড্রাম ব্রিজ অতিরিক্ত মানুষের চাপে ভেঙে পড়লে শতাধিক দর্শনার্থী অথৈ পানিতে পড়ে যান।
এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছে আরও দুই শিশু। ঈদের দিনে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকার উৎসবের আমেজ নিমেষেই বিষাদে পরিণত হয়েছে।
নিহত শিশুরা হলো: দেওয়ানগঞ্জ থানার কালুরচর এলাকার শের আলীর ছেলে আব্দুল মোতালেব (৬) ও মেয়ে খাদিজা (১২), এবং ডাকাতিয়াপাড়ার জয়নালের মেয়ে মায়ামনি (১০)।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতি বছর ঈদের দিনে এই ড্রাম ব্রিজ ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি নড়বড়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও আজ বিকেলের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে না পেরে তা মাঝখান থেকে ভেঙে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে শতাধিক মানুষ নদীতে পড়ে গেলে চারদিকে হাহাকার শুরু হয়। অনেকে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কোমলমতি শিশুরা পানির স্রোতে ভেসে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকেই তিন শিশুর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লিডার মুবিন খান এই মর্মান্তিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এখনো দুই শিশু নিখোঁজ রয়েছে এবং তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সন্ধ্যার অন্ধকার ঘনিয়ে আসায় উদ্ধার কাজ কিছুটা ব্যাহত হলেও ব্রহ্মপুত্রের বুকে নিখোঁজ সন্তানদের সন্ধানে স্বজনদের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে দেওয়ানগঞ্জের আকাশ-বাতাস।

আপনার মতামত লিখুন