ঈদের দিন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। শনিবার (২১ মার্চ) বেলা এগারোটার পর থেকে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নানা বয়সী মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে উদ্যান প্রাঙ্গণে হাজির হয়েছেন। ভ্রমণপিপাসুরা নিজেদের পছন্দমতো স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিনোদনপ্রেমীরা উদ্যানের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছেন। ঈদের দিন আবহাওয়া ভালো থাকায় পর্যটকদের আনাগোনা ছিল অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের দিন ও পরের দিন বিকেলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে পর্যটকের ঢল নামে। দল বেঁধে পর্যটকরা বনের ভেতর প্রবেশ করে ঘোরাফেরা করেন। অনেকে আবার চা বাগানের টিলায় দল বেঁধে ছবিও তোলেন। টিকিট কাউন্টারের সামনে ছিল লম্বা লাইন।
এদিকে বন বিভাগ ও সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির পাশাপাশি স্থানীয় চুনারুঘাট পুলিশ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আগত দর্শনার্থীরা জানান, সাতছড়িতে প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং দুর্লভ প্রজাতির বন্যপ্রাণী দেখা যায়। এ কারণে এই স্থানটি তাঁদের অন্যরকম ভালো লাগার জায়গা। তাঁরা আরও জানান, শহুরে জীবন থেকে প্রাকৃতিক পরিবেশে এসে কিছু সময়ের জন্য হলেও জীবন উপভোগ করা যায়।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল আমিন জানান, ঈদের দিন থেকে এখানে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তিনি আরও জানান, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে তাঁরা প্রস্তুত। বনের ভেতর সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। বন বিভাগ, সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির পাশাপাশি অতিরিক্ত দশজন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানকে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে রাখা হয়েছে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে সার্বক্ষণিক পুলিশের টহলের ব্যবস্থা রয়েছে।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি রেমা-কালেঙ্গা, গ্রিনল্যান্ড পার্ক ও উপজেলার চা বাগানগুলোতেও পর্যটকদের ভিড় ছিল।

রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদের দিন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। শনিবার (২১ মার্চ) বেলা এগারোটার পর থেকে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নানা বয়সী মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে উদ্যান প্রাঙ্গণে হাজির হয়েছেন। ভ্রমণপিপাসুরা নিজেদের পছন্দমতো স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিনোদনপ্রেমীরা উদ্যানের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছেন। ঈদের দিন আবহাওয়া ভালো থাকায় পর্যটকদের আনাগোনা ছিল অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের দিন ও পরের দিন বিকেলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে পর্যটকের ঢল নামে। দল বেঁধে পর্যটকরা বনের ভেতর প্রবেশ করে ঘোরাফেরা করেন। অনেকে আবার চা বাগানের টিলায় দল বেঁধে ছবিও তোলেন। টিকিট কাউন্টারের সামনে ছিল লম্বা লাইন।
এদিকে বন বিভাগ ও সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির পাশাপাশি স্থানীয় চুনারুঘাট পুলিশ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আগত দর্শনার্থীরা জানান, সাতছড়িতে প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং দুর্লভ প্রজাতির বন্যপ্রাণী দেখা যায়। এ কারণে এই স্থানটি তাঁদের অন্যরকম ভালো লাগার জায়গা। তাঁরা আরও জানান, শহুরে জীবন থেকে প্রাকৃতিক পরিবেশে এসে কিছু সময়ের জন্য হলেও জীবন উপভোগ করা যায়।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল আমিন জানান, ঈদের দিন থেকে এখানে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তিনি আরও জানান, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে তাঁরা প্রস্তুত। বনের ভেতর সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। বন বিভাগ, সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির পাশাপাশি অতিরিক্ত দশজন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানকে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে রাখা হয়েছে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে সার্বক্ষণিক পুলিশের টহলের ব্যবস্থা রয়েছে।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি রেমা-কালেঙ্গা, গ্রিনল্যান্ড পার্ক ও উপজেলার চা বাগানগুলোতেও পর্যটকদের ভিড় ছিল।

আপনার মতামত লিখুন