সুনামগঞ্জের শাল্লায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে পৃথক তিনটি স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (২১ মার্চ) সংগঠিত এসব ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ইয়াড়াবাদ ও কান্দোকলা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে দুই গ্রামের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে ইচাকপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ইট-পাটকেল ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এলাকাটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তৃতীয় সংঘর্ষটি ঘটে কাশীপুর ও চন্ডিপুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে। পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গ্রামের মানুষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের বহু লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে পৃথক তিনটি সংঘর্ষে আহতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে শাল্লা থানার এসআই সঞ্জয় কুমার সরকার ও এএসআই ফুলন চন্দ্র দাস জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
তারা আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
সুনামগঞ্জের শাল্লায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে পৃথক তিনটি স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (২১ মার্চ) সংগঠিত এসব ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ইয়াড়াবাদ ও কান্দোকলা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে দুই গ্রামের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে ইচাকপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ইট-পাটকেল ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এলাকাটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তৃতীয় সংঘর্ষটি ঘটে কাশীপুর ও চন্ডিপুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে। পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গ্রামের মানুষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের বহু লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে পৃথক তিনটি সংঘর্ষে আহতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে শাল্লা থানার এসআই সঞ্জয় কুমার সরকার ও এএসআই ফুলন চন্দ্র দাস জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
তারা আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন