জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ভাসমান ড্রাম সেতু ভেঙে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের সবাই শিশু।
ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) বিকালে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ওই সেতু ধসে পড়ে। এর আগে থানার সামনে থাকা ওই সেতুতে ধারণক্ষমতার বেশি মানুষ উঠলে এটি ভেঙে যায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
দেওয়ানগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর আহামদ জানান, থানার সামনে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ভাসমান ড্রাম সেতুটির মাঝামাঝি অংশে লোক সমাগম ছিল অস্বাভাবিক। একপর্যায়ে সেটি ভেঙে নদীতে শতাধিক মানুষ ডুবে যান। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে।
রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পাঁচ শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার অভিযান শেষ করা হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন—দেওয়ানগঞ্জের ডাকাতিয়াপাড়ার জয়নাল আবেদীনের পুত্র নিহাদ ও কন্যা মায়ামনি, ঝালুরচরের শের আলীর কন্যা খাদিজা আক্তার ও পুত্র মোতালেব হোসেন এবং দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার বেলতলীর হাবিবুল্লাহর পুত্র আবির হোসেন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা এবং দুর্ঘটনাস্থলে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ভাসমান ড্রাম সেতু ভেঙে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের সবাই শিশু।
ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) বিকালে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ওই সেতু ধসে পড়ে। এর আগে থানার সামনে থাকা ওই সেতুতে ধারণক্ষমতার বেশি মানুষ উঠলে এটি ভেঙে যায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
দেওয়ানগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর আহামদ জানান, থানার সামনে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ভাসমান ড্রাম সেতুটির মাঝামাঝি অংশে লোক সমাগম ছিল অস্বাভাবিক। একপর্যায়ে সেটি ভেঙে নদীতে শতাধিক মানুষ ডুবে যান। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে।
রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পাঁচ শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার অভিযান শেষ করা হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন—দেওয়ানগঞ্জের ডাকাতিয়াপাড়ার জয়নাল আবেদীনের পুত্র নিহাদ ও কন্যা মায়ামনি, ঝালুরচরের শের আলীর কন্যা খাদিজা আক্তার ও পুত্র মোতালেব হোসেন এবং দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার বেলতলীর হাবিবুল্লাহর পুত্র আবির হোসেন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা এবং দুর্ঘটনাস্থলে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন