চুয়াডাঙ্গা সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের জন্য এবারের ঈদ ছিল এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার। শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের দিন দুপুরে সেখানে গিয়ে সস্ত্রীক শিশুদের পাশে দাঁড়ান চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। শিশুদের হাতে তুলে দেন নতুন উপহার। ছিল উন্নত মানের খাবারের আয়োজন।
রোজার মধ্যেই নতুন জামা পেয়ে শিশুরা আগেভাগেই ঈদের আনন্দ অনুভব করে। সেই আনন্দ আজ পেয়েছে পূর্ণতা। দুপুর গড়াতেই সবাই একসঙ্গে বসে পোলাও-মাংসসহ নানা পদের খাবার খায়।
শিশু পরিবারের কয়েকজন শিশু জানায়, নতুন পোশাক পরে তারা আনন্দ করেছে, ভালো খাবার খেয়েছে। তবু ঈদের দিনে বাবা-মায়ের কথা মনে পড়েছে বারবার।
চুয়াডাঙ্গা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আইনাল হক জানান, বিশেষ দিনগুলোতে শিশুদের জন্য বাড়তি খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। তবে এভাবে কাছে এসে সময় দেওয়াটা তাদের জন্য আলাদা এক আনন্দ তৈরি করেছে।
চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর। সবার জন্য আনন্দ-খুশির দিন। আজ এই খুশির দিনে শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য এসেছি।’
তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি শিশু পরিবার কর্তৃপক্ষ এতিম শিশুদের ভালোভাবে দেখভাল করছে। এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, শিশু পরিবারের তত্ত্বাবধায়ক রোম্মানা বিলকিসসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের জন্য এবারের ঈদ ছিল এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার। শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের দিন দুপুরে সেখানে গিয়ে সস্ত্রীক শিশুদের পাশে দাঁড়ান চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। শিশুদের হাতে তুলে দেন নতুন উপহার। ছিল উন্নত মানের খাবারের আয়োজন।
রোজার মধ্যেই নতুন জামা পেয়ে শিশুরা আগেভাগেই ঈদের আনন্দ অনুভব করে। সেই আনন্দ আজ পেয়েছে পূর্ণতা। দুপুর গড়াতেই সবাই একসঙ্গে বসে পোলাও-মাংসসহ নানা পদের খাবার খায়।
শিশু পরিবারের কয়েকজন শিশু জানায়, নতুন পোশাক পরে তারা আনন্দ করেছে, ভালো খাবার খেয়েছে। তবু ঈদের দিনে বাবা-মায়ের কথা মনে পড়েছে বারবার।
চুয়াডাঙ্গা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আইনাল হক জানান, বিশেষ দিনগুলোতে শিশুদের জন্য বাড়তি খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। তবে এভাবে কাছে এসে সময় দেওয়াটা তাদের জন্য আলাদা এক আনন্দ তৈরি করেছে।
চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর। সবার জন্য আনন্দ-খুশির দিন। আজ এই খুশির দিনে শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য এসেছি।’
তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি শিশু পরিবার কর্তৃপক্ষ এতিম শিশুদের ভালোভাবে দেখভাল করছে। এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, শিশু পরিবারের তত্ত্বাবধায়ক রোম্মানা বিলকিসসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন