বান্দরবানে পর্যটকবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর পাহাড়ী খাদে পড়ে অন্তত ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) ভোরে জেলা সদরের সুয়ালক বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ৪০ জন যাত্রী নিয়ে ‘সৌদিয়া পরিবহন’-এর একটি বাস বান্দরবানের উদ্দেশ্যে আসছিল। ভোর ৫টার দিকে বাসটি সুয়ালক বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার পাহাড়ী আঁকাবাঁকা ও ঢালু রাস্তা নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের ভেতরে থাকা অধিকাংশ যাত্রীই কমবেশি আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন। তাদের উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বান্দরবান
সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. ধীমান দাশ জানান, আহতদের অধিকাংশকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীনরা হলেন: মিলন চন্দ্র দাশ (২৬), রিমন দাশ (২৭), রিয়াদ (২৫), নাফি রিজুয়ান (২৮)।
পাহাড়ী রাস্তায় ভোরের কুয়াশা বা বেপরোয়া গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৬
বান্দরবানে পর্যটকবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর পাহাড়ী খাদে পড়ে অন্তত ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) ভোরে জেলা সদরের সুয়ালক বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ৪০ জন যাত্রী নিয়ে ‘সৌদিয়া পরিবহন’-এর একটি বাস বান্দরবানের উদ্দেশ্যে আসছিল। ভোর ৫টার দিকে বাসটি সুয়ালক বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার পাহাড়ী আঁকাবাঁকা ও ঢালু রাস্তা নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের ভেতরে থাকা অধিকাংশ যাত্রীই কমবেশি আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন। তাদের উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বান্দরবান
সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. ধীমান দাশ জানান, আহতদের অধিকাংশকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীনরা হলেন: মিলন চন্দ্র দাশ (২৬), রিমন দাশ (২৭), রিয়াদ (২৫), নাফি রিজুয়ান (২৮)।
পাহাড়ী রাস্তায় ভোরের কুয়াশা বা বেপরোয়া গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন