চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষে শিমুল হোসেন কাজী (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের দাদা নাজিম উদ্দিন কাজীর (৭০) স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করছে পরিবার। এ সময় নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রাপাড়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিহত শিমুল হোসেন কাজী ওই গ্রামের লাবু হোসেনের ছেলে। অপরদিকে মারা যাওয়া নাজিম উদ্দিন কাজী একই গ্রামের মৃত ইংরেজ আলী কাজীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন ঢাকায় অবস্থানকালে কয়েক দিন আগে ফেসবুকে একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাস দেন। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। ঈদের দুই দিন আগে তিনি বাড়িতে ফিরলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
ঈদের দিন শনিবার দুপুরে হৃদয় হোসেনের সঙ্গে সাহাবুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হৃদয় ও তার চাচা বজলু আহত হন। পরে পাল্টা হামলায় আব্দুল্লাহর মা আলিয়া বেগম, তরিকুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন আহত হন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষ হান্নান-কুবির গ্রুপ ও লাল খাঁ-জাহাঙ্গীর গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কুবির কাজি ও শিমুল কাজী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় শিমুলের মৃত্যু হয়। কুবির কাজী (৩৫)-কে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষে শিমুল হোসেন কাজী (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের দাদা নাজিম উদ্দিন কাজীর (৭০) স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করছে পরিবার। এ সময় নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রাপাড়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিহত শিমুল হোসেন কাজী ওই গ্রামের লাবু হোসেনের ছেলে। অপরদিকে মারা যাওয়া নাজিম উদ্দিন কাজী একই গ্রামের মৃত ইংরেজ আলী কাজীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন ঢাকায় অবস্থানকালে কয়েক দিন আগে ফেসবুকে একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাস দেন। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। ঈদের দুই দিন আগে তিনি বাড়িতে ফিরলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
ঈদের দিন শনিবার দুপুরে হৃদয় হোসেনের সঙ্গে সাহাবুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হৃদয় ও তার চাচা বজলু আহত হন। পরে পাল্টা হামলায় আব্দুল্লাহর মা আলিয়া বেগম, তরিকুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন আহত হন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষ হান্নান-কুবির গ্রুপ ও লাল খাঁ-জাহাঙ্গীর গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কুবির কাজি ও শিমুল কাজী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় শিমুলের মৃত্যু হয়। কুবির কাজী (৩৫)-কে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন