সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মহান স্বাধীনতা দিবসের আগেই বিধিমালা পাল‌নের আহ্বান

জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা


প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬

জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা

আসন্ন ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসকে সামনে রেখে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক ব্যবহার এবং এর মর্যাদা সমুন্নত রাখতে দেশবাসীর প্রতি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।

সোমবার তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়েছে, ১৯৭২ সালে প্রণীত এবং ২০১০ সালে সংশোধিত ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’ মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি অবশ্য পালনীয় কর্তব্য। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি ভবনে পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মাপ, রঙের সঠিকতা এবং প্রদর্শনের নিয়মাবলী যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সংবিধানের ৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সবুজের বুকে লাল বৃত্তের এই প্রতীকটি কেবল একটি কাপড় নয়, বরং এটি জাতীয় সার্বভৌমত্বের ধারক; তাই এর অবমাননা রোধে প্রশাসন এবার বেশ তৎপর।
​পতাকাবিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় পতাকার রঙ হবে গাঢ় সবুজ এবং এর মাঝে থাকবে দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ ব্যাসার্ধের একটি লাল বৃত্ত। ভবনের আয়তন ভেদে পতাকার তিনটি সুনির্দিষ্ট মাপ, যেমন: ১০ ফুট বাই ৬ ফুট, ৫ ফুট বাই ৩ ফুট এবং আড়াই ফুট বাই দেড় ফুট; অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
নির্দেশনায় সতর্ক করা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই মোটরযান, রেলগাড়ি কিংবা নৌযানের কোনো অংশ পতাকা দিয়ে ঢাকা যাবে না। এমনকি পতাকার ওপর অন্য কোনো রঙিন পতাকা উত্তোলন বা কোনো কিছু লেখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কোনো দেয়ালে পতাকা প্রদর্শন করতে হয়, তবে তা সমতলে রাখতে হবে এবং জনসভায় বক্তার পেছনে ওপরের দিকে স্থাপন করতে হবে।
রাস্তার মাঝখানে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে পতাকাটি খাড়াভাবে রাখতে হবে এবং কবরস্থানে ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন তা ভূমি স্পর্শ না করে।
​জাতীয় পতাকাকে সর্বদা সসম্মানে এবং দ্রুততার সাথে উত্তোলন করার পাশাপাশি নামানোর সময়ও যথাযথ মর্যাদা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলনের সময় উপস্থিত সকলকে পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে এবং ইউনিফর্মধারীরা স্যালুটরত থাকবেন। যানবাহনে পতাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা রেডিয়েটর ক্যাপ বা চেসিসের দণ্ডের সাথে দৃঢ়ভাবে আটকাতে হবে। পতাকা কখনই আনুভূমিকভাবে বা শুইয়ে বহন করা যাবে না, বরং এটি সর্বদা উঁচুতে এবং মুক্তভাবে উড়বে এমনটাই কাম্য।
মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশের প্রতিটি প্রান্তে যেন পতাকার অবমাননা না ঘটে, সে লক্ষ্যে সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে সকল প্রতিষ্ঠানকে এই বিধিমালা অক্ষরে অক্ষরে পালনের অনুরোধ জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬


জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

আসন্ন ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসকে সামনে রেখে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক ব্যবহার এবং এর মর্যাদা সমুন্নত রাখতে দেশবাসীর প্রতি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।

সোমবার তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়েছে, ১৯৭২ সালে প্রণীত এবং ২০১০ সালে সংশোধিত ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’ মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি অবশ্য পালনীয় কর্তব্য। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি ভবনে পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মাপ, রঙের সঠিকতা এবং প্রদর্শনের নিয়মাবলী যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সংবিধানের ৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সবুজের বুকে লাল বৃত্তের এই প্রতীকটি কেবল একটি কাপড় নয়, বরং এটি জাতীয় সার্বভৌমত্বের ধারক; তাই এর অবমাননা রোধে প্রশাসন এবার বেশ তৎপর।
​পতাকাবিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় পতাকার রঙ হবে গাঢ় সবুজ এবং এর মাঝে থাকবে দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ ব্যাসার্ধের একটি লাল বৃত্ত। ভবনের আয়তন ভেদে পতাকার তিনটি সুনির্দিষ্ট মাপ, যেমন: ১০ ফুট বাই ৬ ফুট, ৫ ফুট বাই ৩ ফুট এবং আড়াই ফুট বাই দেড় ফুট; অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
নির্দেশনায় সতর্ক করা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই মোটরযান, রেলগাড়ি কিংবা নৌযানের কোনো অংশ পতাকা দিয়ে ঢাকা যাবে না। এমনকি পতাকার ওপর অন্য কোনো রঙিন পতাকা উত্তোলন বা কোনো কিছু লেখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কোনো দেয়ালে পতাকা প্রদর্শন করতে হয়, তবে তা সমতলে রাখতে হবে এবং জনসভায় বক্তার পেছনে ওপরের দিকে স্থাপন করতে হবে।
রাস্তার মাঝখানে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে পতাকাটি খাড়াভাবে রাখতে হবে এবং কবরস্থানে ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন তা ভূমি স্পর্শ না করে।
​জাতীয় পতাকাকে সর্বদা সসম্মানে এবং দ্রুততার সাথে উত্তোলন করার পাশাপাশি নামানোর সময়ও যথাযথ মর্যাদা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলনের সময় উপস্থিত সকলকে পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে এবং ইউনিফর্মধারীরা স্যালুটরত থাকবেন। যানবাহনে পতাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা রেডিয়েটর ক্যাপ বা চেসিসের দণ্ডের সাথে দৃঢ়ভাবে আটকাতে হবে। পতাকা কখনই আনুভূমিকভাবে বা শুইয়ে বহন করা যাবে না, বরং এটি সর্বদা উঁচুতে এবং মুক্তভাবে উড়বে এমনটাই কাম্য।
মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশের প্রতিটি প্রান্তে যেন পতাকার অবমাননা না ঘটে, সে লক্ষ্যে সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে সকল প্রতিষ্ঠানকে এই বিধিমালা অক্ষরে অক্ষরে পালনের অনুরোধ জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত