বিভাগীয় নগরী রংপুরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নগরীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বুধবার (২৫ মার্চ) নগরীর অন্তত অর্ধশতাধিক ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, কোনো পাম্পেই জ্বালানি তেল নেই। অধিকাংশ স্টেশনে ‘তেল নেই’ মর্মে নোটিশ টানিয়ে রাখা হয়েছে। এর ফলে শত শত মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানান, মঙ্গলবার ডিপো থেকে কোনো জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়নি। ফলে তাদের পক্ষে তেল বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। তারা অভিযোগ করেন, ডিপোগুলো কবে নাগাদ জ্বালানি সরবরাহ করবে সে বিষয়েও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে তাদের ট্যাংক লরিগুলো গত দুই দিন ধরে ডিপোতে অপেক্ষমাণ রয়েছে। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটে ভোগান্তিতে পড়া মোটরসাইকেল আরোহীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, টানা দুই দিন ধরে তেল না পাওয়ায় তাদের দৈনন্দিন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
বিভাগীয় নগরী রংপুরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নগরীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বুধবার (২৫ মার্চ) নগরীর অন্তত অর্ধশতাধিক ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, কোনো পাম্পেই জ্বালানি তেল নেই। অধিকাংশ স্টেশনে ‘তেল নেই’ মর্মে নোটিশ টানিয়ে রাখা হয়েছে। এর ফলে শত শত মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানান, মঙ্গলবার ডিপো থেকে কোনো জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়নি। ফলে তাদের পক্ষে তেল বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। তারা অভিযোগ করেন, ডিপোগুলো কবে নাগাদ জ্বালানি সরবরাহ করবে সে বিষয়েও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে তাদের ট্যাংক লরিগুলো গত দুই দিন ধরে ডিপোতে অপেক্ষমাণ রয়েছে। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটে ভোগান্তিতে পড়া মোটরসাইকেল আরোহীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, টানা দুই দিন ধরে তেল না পাওয়ায় তাদের দৈনন্দিন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন