ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাই ডা. গোলাম কবির (৭২)-এর বিরুদ্ধে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের চতুল রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিন্টু মোল্লা (৫৭) একই গ্রামের মৃত ইছাহাক মাস্টারের ছেলে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত গোলাম কবিরকে আটক করে মারধর করে এবং পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ সময় তার ব্যবহৃত গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মরহুম ইছাহাক মাস্টারের ছয় ছেলে ও এক মেয়ে। তাদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. গোলাম কবির বড় এবং নিহত মিন্টু মোল্লা পঞ্চম। পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং এ নিয়ে থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। ঘটনার দিন সকালে মিন্টু মোল্লা বাড়ির পাশের একটি গাছ কাটতে গেলে গোলাম কবির সেখানে গিয়ে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে গোলাম কবির মিন্টুকে রেলগেট এলাকায় ডেকে নিয়ে গিয়ে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মিন্টু মোল্লার মৃত্যু হয়। গুলির শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং তার ব্যবহৃত অস্ত্র জব্দের প্রক্রিয়া চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছাড়াও অন্য কোনো কারণ এ ঘটনায় জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাই ডা. গোলাম কবির (৭২)-এর বিরুদ্ধে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের চতুল রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিন্টু মোল্লা (৫৭) একই গ্রামের মৃত ইছাহাক মাস্টারের ছেলে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত গোলাম কবিরকে আটক করে মারধর করে এবং পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ সময় তার ব্যবহৃত গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মরহুম ইছাহাক মাস্টারের ছয় ছেলে ও এক মেয়ে। তাদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. গোলাম কবির বড় এবং নিহত মিন্টু মোল্লা পঞ্চম। পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং এ নিয়ে থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। ঘটনার দিন সকালে মিন্টু মোল্লা বাড়ির পাশের একটি গাছ কাটতে গেলে গোলাম কবির সেখানে গিয়ে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে গোলাম কবির মিন্টুকে রেলগেট এলাকায় ডেকে নিয়ে গিয়ে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মিন্টু মোল্লার মৃত্যু হয়। গুলির শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং তার ব্যবহৃত অস্ত্র জব্দের প্রক্রিয়া চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছাড়াও অন্য কোনো কারণ এ ঘটনায় জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন