কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক জাহিদ হাসান ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে। প্রধান আসামি জাহিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে ভুক্তভোগী তরুণী কচাকাটা থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে এবং আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের চর লুছনি এলাকায় ঘটে। কেদার ইউনিয়নের টেপারকুটি গ্রামের ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে পাশ্ববর্তী বল্লভের খাস ইউনিয়নের ধারিয়ার পাড় গ্রামের জাহিদ হাসানের মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনায় জাহিদ তাকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নেন।
পথিমধ্যে কচাকাটা থানার আয়নালের ঘাট এলাকায় দুধকুমার নদীর তীরবর্তী একটি ভুট্টাক্ষেতে জাহিদের সহযোগীরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগী গভীর রাতে পাশ্ববর্তী একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি দুই আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক জাহিদ হাসান ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে। প্রধান আসামি জাহিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে ভুক্তভোগী তরুণী কচাকাটা থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে এবং আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের চর লুছনি এলাকায় ঘটে। কেদার ইউনিয়নের টেপারকুটি গ্রামের ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে পাশ্ববর্তী বল্লভের খাস ইউনিয়নের ধারিয়ার পাড় গ্রামের জাহিদ হাসানের মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনায় জাহিদ তাকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নেন।
পথিমধ্যে কচাকাটা থানার আয়নালের ঘাট এলাকায় দুধকুমার নদীর তীরবর্তী একটি ভুট্টাক্ষেতে জাহিদের সহযোগীরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগী গভীর রাতে পাশ্ববর্তী একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি দুই আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”

আপনার মতামত লিখুন