চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে উপজেলার ডায়াবেটিক সেন্টার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে নিহতের স্বজন ও হাসপাতাল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
নিহত প্রসূতির নাম তানজিনা আক্তার (২০)। তিনি রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের কাউনিয়া গ্রামের প্রবাসী রবিনের স্ত্রী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে প্রসবব্যথা শুরু হলে তাকে ফরিদগঞ্জের ডায়াবেটিক সেন্টার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সিজারিয়ান অপারেশন পরিচালনা করেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুন নাহার।
অপারেশনের পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই তানজিনা বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অচেতন হয়ে যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল জানান, “সিজারিয়ান অপারেশনের পর রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। নিহতের পরিবারের সঙ্গে এখনও আলোচনার চেষ্টা চলছে, লিখিত অভিযোগ দায়েরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে উপজেলার ডায়াবেটিক সেন্টার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে নিহতের স্বজন ও হাসপাতাল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
নিহত প্রসূতির নাম তানজিনা আক্তার (২০)। তিনি রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের কাউনিয়া গ্রামের প্রবাসী রবিনের স্ত্রী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে প্রসবব্যথা শুরু হলে তাকে ফরিদগঞ্জের ডায়াবেটিক সেন্টার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সিজারিয়ান অপারেশন পরিচালনা করেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুন নাহার।
অপারেশনের পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই তানজিনা বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অচেতন হয়ে যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল জানান, “সিজারিয়ান অপারেশনের পর রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। নিহতের পরিবারের সঙ্গে এখনও আলোচনার চেষ্টা চলছে, লিখিত অভিযোগ দায়েরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন