দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের লোগো নকল করে তৈরি করা ‘ফেক আইডি’ বা ‘স্যাটায়ার’ পেজগুলোর মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তি বন্ধ করতে একটি নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার
সচিবালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক মাস পূর্তি
উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ
সব তথ্য জানান।
উপদেষ্টা
বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ধরণের উদ্বেগজনক
প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক
ক্ষেত্রে দেখা যায়, মূলধারার
কোনো গণমাধ্যমের লোগোর সাথে মিল রেখে
নকল লোগো ব্যবহার করে
স্যাটায়ারের নামে বিভ্রান্তিকর খবর
প্রচার করা হচ্ছে। সাধারণ
মানুষ তো বটেই, এমনকি
অনেক সচেতন ব্যক্তিও এগুলোকে সত্য মনে করে
শেয়ার করছেন। এটি সমাজে মারাত্মক
ডিসইনফরমেশন বা অপতথ্য ছড়াচ্ছে।
বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সরকার
দ্রুত একটি কাঠামোর আওতায়
আনার পরিকল্পনা করছে।
সংবাদ
সম্মেলনে জানানো হয়, ‘নিউ মিডিয়ার
সর্বোত্তম ব্যবহার ও স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান
তৈরির মাধ্যমে তথ্য ও প্রচার
কার্যক্রম জোরদারকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের কাজ
শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে অপতথ্য
শনাক্ত করা, সেটির সত্যতা
যাচাই (ডিবাঙ্ক) করা এবং সঠিক
তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার
কাজ করা হবে। সরকার
কোনোভাবেই চায় না স্যাটায়ারের
নামে কেউ প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের
পরিচয় ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াক।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও আইনি ব্যবস্থা
গ্রহণের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেওয়া
হচ্ছে।
সংবাদ
সম্মেলনে জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত
করেছেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। বিশ্ববাজারে
অস্থিরতা থাকলেও বাংলাদেশে এই মুহূর্তে জ্বালানি
তেলের দাম বাড়ার কোনো
সম্ভাবনা নেই বলে তিনি
স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, তেলের
দাম বাড়ছে না। তাই যারা
দাম বাড়ার আশায় তেল মজুত
করছেন, তারা কোনোভাবেই লাভবান
হতে পারবেন না।
উপদেষ্টা
আরও বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে অনেক উন্নত দেশও
মূল্যস্ফীতির কবলে পড়েছে। বাংলাদেশেও
এর প্রভাব রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত
হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনা বা
‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকতে
সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
পাম্প
মালিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তেলের
সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে। অযথা
ভীতি ছড়িয়ে বাজার অস্থির করার চেষ্টা করলে
কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকার
বর্তমানে স্পট মার্কেট থেকে
গ্যাস কিনছে এবং কাতারের সাথে
দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা
করছে। অর্থনৈতিক চাপের কথা মাথায় রেখে
সরকার সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি বোঝা
চাপাতে চায় না বলেই
তেলের দাম বাড়ানোর পথে
হাঁটছে না।
কোথাও
কোনো সমন্বয়হীনতা থাকলে তা দ্রুত চিহ্নিত
করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।
অনুষ্ঠানে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং
সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের লোগো নকল করে তৈরি করা ‘ফেক আইডি’ বা ‘স্যাটায়ার’ পেজগুলোর মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তি বন্ধ করতে একটি নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার
সচিবালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক মাস পূর্তি
উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ
সব তথ্য জানান।
উপদেষ্টা
বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ধরণের উদ্বেগজনক
প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক
ক্ষেত্রে দেখা যায়, মূলধারার
কোনো গণমাধ্যমের লোগোর সাথে মিল রেখে
নকল লোগো ব্যবহার করে
স্যাটায়ারের নামে বিভ্রান্তিকর খবর
প্রচার করা হচ্ছে। সাধারণ
মানুষ তো বটেই, এমনকি
অনেক সচেতন ব্যক্তিও এগুলোকে সত্য মনে করে
শেয়ার করছেন। এটি সমাজে মারাত্মক
ডিসইনফরমেশন বা অপতথ্য ছড়াচ্ছে।
বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সরকার
দ্রুত একটি কাঠামোর আওতায়
আনার পরিকল্পনা করছে।
সংবাদ
সম্মেলনে জানানো হয়, ‘নিউ মিডিয়ার
সর্বোত্তম ব্যবহার ও স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান
তৈরির মাধ্যমে তথ্য ও প্রচার
কার্যক্রম জোরদারকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের কাজ
শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে অপতথ্য
শনাক্ত করা, সেটির সত্যতা
যাচাই (ডিবাঙ্ক) করা এবং সঠিক
তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার
কাজ করা হবে। সরকার
কোনোভাবেই চায় না স্যাটায়ারের
নামে কেউ প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের
পরিচয় ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াক।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও আইনি ব্যবস্থা
গ্রহণের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেওয়া
হচ্ছে।
সংবাদ
সম্মেলনে জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত
করেছেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। বিশ্ববাজারে
অস্থিরতা থাকলেও বাংলাদেশে এই মুহূর্তে জ্বালানি
তেলের দাম বাড়ার কোনো
সম্ভাবনা নেই বলে তিনি
স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, তেলের
দাম বাড়ছে না। তাই যারা
দাম বাড়ার আশায় তেল মজুত
করছেন, তারা কোনোভাবেই লাভবান
হতে পারবেন না।
উপদেষ্টা
আরও বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে অনেক উন্নত দেশও
মূল্যস্ফীতির কবলে পড়েছে। বাংলাদেশেও
এর প্রভাব রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত
হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনা বা
‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকতে
সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
পাম্প
মালিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তেলের
সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে। অযথা
ভীতি ছড়িয়ে বাজার অস্থির করার চেষ্টা করলে
কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকার
বর্তমানে স্পট মার্কেট থেকে
গ্যাস কিনছে এবং কাতারের সাথে
দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা
করছে। অর্থনৈতিক চাপের কথা মাথায় রেখে
সরকার সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি বোঝা
চাপাতে চায় না বলেই
তেলের দাম বাড়ানোর পথে
হাঁটছে না।
কোথাও
কোনো সমন্বয়হীনতা থাকলে তা দ্রুত চিহ্নিত
করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।
অনুষ্ঠানে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং
সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন