মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ৩কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। সেতুটি নির্মাণ শেষ হওয়ার প্রায় বছর পেরিয়ে গেলেও উভয় প্রান্তে সংযোগ সড়ক তৈরি না হওয়ায় সাধারণ মানুষ,কৃষিপন্য, বিশেষ করে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়ন এর বড় কালিপুর-বাঘাইকান্দি নদীর উপর ৫৬ মিটার দৈর্ঘ্যের সংযোগ সেতুটি নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনো সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট ও পাকা সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ফলে এলাকাবাসী সেতুটি ব্যবহার করতে পারছেন না এবং প্রতিদিন যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি নির্মাণের পরও কেন সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়নি—এ প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে ঘুরছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহদাত হোসেন বলেন, তনু সরকার কান্দি, বড় কালিপুর, বাঘাইকান্দি ও কুমারটেকসহ আশপাশের অন্তত ছয় থেকে সাত হাজার মানুষ প্রতিদিন এই সেতু ব্যবহার করে যাতায়াত করার কথা। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় কেউই সঠিকভাবে ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছে না।
স্হানীয়দের দাবি, সেতুটি নির্মাণে আরও একটি বড় ত্রুটি রয়েছে সেতুটির উচ্চতা অত্যন্ত নিচু হওয়ায় এর নিচ দিয়ে কোনো ধরনের নৌযান চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে না। এ এলাকা হচ্ছ কৃষি প্রধান নৌপথে সব সময়ই ছোট বড় নৌকা দিয়ে যাতায়েত করে কিন্ত বর্ষাকালে নদীর পানি বৃদ্দি হলে ব্রীজের কারনে নদীপথে চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত নদীর উপর সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে RL (Reduced Level) বা উচ্চতার মান নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই সেতুর ক্ষেত্রে সেই নির্ধারণে ত্রুটি হয়েছে বলেই ধারণা করছেন এলাকাবাসী।
এদিকে বাঘাইকান্দি কলিমউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন পড়াশোনার জন্য এ পথে যাতায়াত করে থাকে। সংযোগ সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো ভেয়ে পাড় হতে হচ্ছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ৩কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। সেতুটি নির্মাণ শেষ হওয়ার প্রায় বছর পেরিয়ে গেলেও উভয় প্রান্তে সংযোগ সড়ক তৈরি না হওয়ায় সাধারণ মানুষ,কৃষিপন্য, বিশেষ করে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়ন এর বড় কালিপুর-বাঘাইকান্দি নদীর উপর ৫৬ মিটার দৈর্ঘ্যের সংযোগ সেতুটি নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনো সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট ও পাকা সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ফলে এলাকাবাসী সেতুটি ব্যবহার করতে পারছেন না এবং প্রতিদিন যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি নির্মাণের পরও কেন সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়নি—এ প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে ঘুরছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহদাত হোসেন বলেন, তনু সরকার কান্দি, বড় কালিপুর, বাঘাইকান্দি ও কুমারটেকসহ আশপাশের অন্তত ছয় থেকে সাত হাজার মানুষ প্রতিদিন এই সেতু ব্যবহার করে যাতায়াত করার কথা। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় কেউই সঠিকভাবে ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছে না।
স্হানীয়দের দাবি, সেতুটি নির্মাণে আরও একটি বড় ত্রুটি রয়েছে সেতুটির উচ্চতা অত্যন্ত নিচু হওয়ায় এর নিচ দিয়ে কোনো ধরনের নৌযান চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে না। এ এলাকা হচ্ছ কৃষি প্রধান নৌপথে সব সময়ই ছোট বড় নৌকা দিয়ে যাতায়েত করে কিন্ত বর্ষাকালে নদীর পানি বৃদ্দি হলে ব্রীজের কারনে নদীপথে চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত নদীর উপর সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে RL (Reduced Level) বা উচ্চতার মান নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই সেতুর ক্ষেত্রে সেই নির্ধারণে ত্রুটি হয়েছে বলেই ধারণা করছেন এলাকাবাসী।
এদিকে বাঘাইকান্দি কলিমউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন পড়াশোনার জন্য এ পথে যাতায়াত করে থাকে। সংযোগ সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো ভেয়ে পাড় হতে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন