গতবারের তুলনায় এবারের ঈদে দর্শনার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ঈদের তিন দিনে (২১–২৩ মার্চ) প্রায় ১৪ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের দিন ১৩ হাজার ৬৫৫ জন, দ্বিতীয় দিন ১৬ হাজার ৬০৫ জন এবং তৃতীয় দিন ১৩ হাজার ৬৭৫ জন দর্শনার্থী বিহারটি পরিদর্শন করেন।
দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ইতিহাসের নিদর্শনের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। দীর্ঘ ছুটির সুযোগে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকেরা এখানে ভিড় করেন।
দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। যানজট নিয়ন্ত্রণেও ছিল ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা। ফলে যাতায়াতে তেমন কোনো ভোগান্তি হয়নি বলে জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা।
বৌদ্ধবিহার এলাকায় রয়েছে বিশ্রাম নেওয়ার ছাউনি, পৃথক টয়লেট, পাথওয়ে ও পুকুরসহ নানা সুবিধা। তবে মন্দিরের চূড়ায় ওঠার কাঠের সিঁড়িটি অচল থাকায় কিছু দর্শনার্থীর মধ্যে আক্ষেপ দেখা গেছে।
দর্শনার্থীদের একজন সিরাজগঞ্জের আলতাফ বলেন, “বন্ধুদের নিয়ে মোটরসাইকেলে ঘুরতে এসেছি। জায়গাটি যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি খুবই শান্ত ও সুন্দর।”
ঢাকা থেকে আসা আসলাম হোসেন বলেন, “পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ঈদের ছুটিতে এখানে এসেছি। জায়গাটি খুব ভালো লেগেছে।”
দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে আশপাশের হোটেল-রেস্তোরাঁ ও দোকানপাটেও বেড়েছে বেচাকেনা। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।
পাহাড়পুর জাদুঘরের কাস্টডিয়ান ফজলুল করিম আরজু বলেন, “গতবারের তুলনায় এবার দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি। নিরাপত্তা ও যাতায়াতব্যবস্থা ভালো থাকায় দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরতে পেরেছেন। আগামীতে আরও উন্নয়ন কার্যক্রম চলবে।”

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
গতবারের তুলনায় এবারের ঈদে দর্শনার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ঈদের তিন দিনে (২১–২৩ মার্চ) প্রায় ১৪ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের দিন ১৩ হাজার ৬৫৫ জন, দ্বিতীয় দিন ১৬ হাজার ৬০৫ জন এবং তৃতীয় দিন ১৩ হাজার ৬৭৫ জন দর্শনার্থী বিহারটি পরিদর্শন করেন।
দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ইতিহাসের নিদর্শনের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। দীর্ঘ ছুটির সুযোগে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকেরা এখানে ভিড় করেন।
দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। যানজট নিয়ন্ত্রণেও ছিল ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা। ফলে যাতায়াতে তেমন কোনো ভোগান্তি হয়নি বলে জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা।
বৌদ্ধবিহার এলাকায় রয়েছে বিশ্রাম নেওয়ার ছাউনি, পৃথক টয়লেট, পাথওয়ে ও পুকুরসহ নানা সুবিধা। তবে মন্দিরের চূড়ায় ওঠার কাঠের সিঁড়িটি অচল থাকায় কিছু দর্শনার্থীর মধ্যে আক্ষেপ দেখা গেছে।
দর্শনার্থীদের একজন সিরাজগঞ্জের আলতাফ বলেন, “বন্ধুদের নিয়ে মোটরসাইকেলে ঘুরতে এসেছি। জায়গাটি যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি খুবই শান্ত ও সুন্দর।”
ঢাকা থেকে আসা আসলাম হোসেন বলেন, “পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ঈদের ছুটিতে এখানে এসেছি। জায়গাটি খুব ভালো লেগেছে।”
দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে আশপাশের হোটেল-রেস্তোরাঁ ও দোকানপাটেও বেড়েছে বেচাকেনা। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।
পাহাড়পুর জাদুঘরের কাস্টডিয়ান ফজলুল করিম আরজু বলেন, “গতবারের তুলনায় এবার দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি। নিরাপত্তা ও যাতায়াতব্যবস্থা ভালো থাকায় দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরতে পেরেছেন। আগামীতে আরও উন্নয়ন কার্যক্রম চলবে।”

আপনার মতামত লিখুন