ঈদের আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও রেল দুর্ঘটনায় অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কুমিল্লার পদুয়া বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ১২ জন মারা গেছেন। সড়ক পথে দুর্ঘটনায় অনেকে মারা গেছেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
রেলক্রসিং দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে গেটম্যানদের গাফিলতির কথা জানা গেছে। সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে বেপরোয়া গাড়ি চালনা, চালকের ক্লান্তি, অদক্ষতা এবং সড়কের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। পুলিশের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে প্রায় অর্ধেক সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী হচ্ছে বেপরোয়া গতি। এর সঙ্গে যুক্ত হয় সড়কের দুরবস্থা, পথচারী পারাপারের নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকা এবং যানবাহনের যান্ত্রিক ত্রুটি।
ঈদের সময় দুর্ঘটনা কেন বাড়ে সেটা একটা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সড়কে অতিরিক্ত চাপের কারণে দুর্ঘটনার প্রবণতা বাড়ে। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা, দীর্ঘসময় গাড়ি চালানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। উৎসবের সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাও বেশি ঘটে।
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য আইন আছে। বাস্তবতা হলো, আইন থাকলেও তার প্রয়োগ দুর্বল। ফলে চালক, যাত্রী বা পথচারীদের ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
সড়ক ও রেল পথে দুর্ঘটনা কমাতে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। রেলক্রসিংগুলোয় দায়িত্ব পালনে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। রেলক্রসিংয়ে স্বয়ংক্রিয় গেট এবং সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। সড়ক পথে সংশ্লিষ্ট আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’ বিশেষ করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী বহন বন্ধ করতে হবে। চালকদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও বিশ্রাম নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার। সড়ক-মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
ঈদের আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও রেল দুর্ঘটনায় অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কুমিল্লার পদুয়া বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ১২ জন মারা গেছেন। সড়ক পথে দুর্ঘটনায় অনেকে মারা গেছেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
রেলক্রসিং দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে গেটম্যানদের গাফিলতির কথা জানা গেছে। সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে বেপরোয়া গাড়ি চালনা, চালকের ক্লান্তি, অদক্ষতা এবং সড়কের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। পুলিশের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে প্রায় অর্ধেক সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী হচ্ছে বেপরোয়া গতি। এর সঙ্গে যুক্ত হয় সড়কের দুরবস্থা, পথচারী পারাপারের নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকা এবং যানবাহনের যান্ত্রিক ত্রুটি।
ঈদের সময় দুর্ঘটনা কেন বাড়ে সেটা একটা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সড়কে অতিরিক্ত চাপের কারণে দুর্ঘটনার প্রবণতা বাড়ে। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা, দীর্ঘসময় গাড়ি চালানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। উৎসবের সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাও বেশি ঘটে।
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য আইন আছে। বাস্তবতা হলো, আইন থাকলেও তার প্রয়োগ দুর্বল। ফলে চালক, যাত্রী বা পথচারীদের ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
সড়ক ও রেল পথে দুর্ঘটনা কমাতে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। রেলক্রসিংগুলোয় দায়িত্ব পালনে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। রেলক্রসিংয়ে স্বয়ংক্রিয় গেট এবং সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। সড়ক পথে সংশ্লিষ্ট আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’ বিশেষ করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী বহন বন্ধ করতে হবে। চালকদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও বিশ্রাম নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার। সড়ক-মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন