মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিতিশীলতার মধ্যেই চড়া দামে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্য থেকে এই বিশাল পরিমাণ গ্যাস আমদানিতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৬৬৬ কোটি ৭৯ লাখ ১৩ হাজার ২৪ টাকা।
বুধবার
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা
কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি
অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ
চৌধুরী।
জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ বিভাগ
সূত্রে জানা গেছে, দেশের
শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন
স্বাভাবিক রাখতে স্পট মার্কেট থেকে
জরুরি ভিত্তিতে এই গ্যাস সংগ্রহের
প্রক্রিয়া শুরু হয়। পাবলিক
প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশনের
মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডকে এই গ্যাস সরবরাহের
দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কার্গো এলএনজির জন্য সরকারকে গুণতে
হবে প্রায় ৮৩৩ কোটি ৩৯
লাখ টাকার বেশি। যদিও গত বছরের
ডিসেম্বরের তুলনায় বর্তমানে এলএনজির দাম প্রায় দ্বিগুণ,
তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহের তুলনায় দামে কিছুটা নিম্নমুখী
প্রবণতা দেখা গেছে।
এর আগে, চলতি মাসের
১১ তারিখ অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠকেও
বাড়তি দামে তিন কার্গো
এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিলো। সে সময় দক্ষিণ
কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে
সংগৃহীত ওই তিন কার্গো
গ্যাসে সরকারের ব্যয় হয়েছিলো ২
হাজার ৬৫৪ কোটি টাকারও
বেশি।
তথ্য
বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত
বছরের ডিসেম্বরে যেখানে এক কার্গো এলএনজি
কিনতে ব্যয় হতো ৪৩৬
কোটি টাকা, সেখানে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তা ৮০০ কোটি
টাকার ওপরে গিয়ে ঠেকেছে।
মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থার কারণেই সরকারকে এই বিশাল বাড়তি
ব্যয় মেনে নিতে হচ্ছে।
বাড়তি
ব্যয় হলেও জ্বালানি সংকট
এড়াতে সরকার ধারাবাহিকভাবে এই আমদানির প্রক্রিয়া
অব্যাহত রেখেছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন অপর্যাপ্ত হওয়ায় সরকার বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির
ওপর নির্ভরতা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান ও
গরমের মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং শিল্প
খাতের চাকা সচল রাখতে
এই এলএনজি দ্রুত দেশের বন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে
আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিতিশীলতার মধ্যেই চড়া দামে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্য থেকে এই বিশাল পরিমাণ গ্যাস আমদানিতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৬৬৬ কোটি ৭৯ লাখ ১৩ হাজার ২৪ টাকা।
বুধবার
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা
কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি
অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ
চৌধুরী।
জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ বিভাগ
সূত্রে জানা গেছে, দেশের
শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন
স্বাভাবিক রাখতে স্পট মার্কেট থেকে
জরুরি ভিত্তিতে এই গ্যাস সংগ্রহের
প্রক্রিয়া শুরু হয়। পাবলিক
প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশনের
মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডকে এই গ্যাস সরবরাহের
দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কার্গো এলএনজির জন্য সরকারকে গুণতে
হবে প্রায় ৮৩৩ কোটি ৩৯
লাখ টাকার বেশি। যদিও গত বছরের
ডিসেম্বরের তুলনায় বর্তমানে এলএনজির দাম প্রায় দ্বিগুণ,
তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহের তুলনায় দামে কিছুটা নিম্নমুখী
প্রবণতা দেখা গেছে।
এর আগে, চলতি মাসের
১১ তারিখ অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠকেও
বাড়তি দামে তিন কার্গো
এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিলো। সে সময় দক্ষিণ
কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে
সংগৃহীত ওই তিন কার্গো
গ্যাসে সরকারের ব্যয় হয়েছিলো ২
হাজার ৬৫৪ কোটি টাকারও
বেশি।
তথ্য
বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত
বছরের ডিসেম্বরে যেখানে এক কার্গো এলএনজি
কিনতে ব্যয় হতো ৪৩৬
কোটি টাকা, সেখানে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তা ৮০০ কোটি
টাকার ওপরে গিয়ে ঠেকেছে।
মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থার কারণেই সরকারকে এই বিশাল বাড়তি
ব্যয় মেনে নিতে হচ্ছে।
বাড়তি
ব্যয় হলেও জ্বালানি সংকট
এড়াতে সরকার ধারাবাহিকভাবে এই আমদানির প্রক্রিয়া
অব্যাহত রেখেছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন অপর্যাপ্ত হওয়ায় সরকার বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির
ওপর নির্ভরতা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান ও
গরমের মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং শিল্প
খাতের চাকা সচল রাখতে
এই এলএনজি দ্রুত দেশের বন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে
আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন