সুনির্দিষ্ট কিছু গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার গভীর রাতে ডিবির একটি বিশেষ দল তাকে হেফাজতে নেওয়ার পর রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই উচ্চপদস্থ সাবেক কর্মকর্তাকে নিয়ে আসা হয়েছে এবং প্রক্রিয়ার বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের এই আকস্মিক আটকের পেছনে মূলত বিশাল অংকের অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রভাবশালী অবস্থান ব্যবহার করে অবৈধভাবে ভূমি দখলের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে বলে ডিবি সূত্রে জানা গেছে। তবে সবচেয়ে বড় অভিযোগটি উঠেছে একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থাকে গত কয়েক বছরগুলোতে নজিরবিহীনভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার বিষয়ে।
দীর্ঘ সময় ধরে পর্দার আড়ালে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের যে গুঞ্জন ছিলো, এই আটকের মাধ্যমে তার একটি আইনি সুরাহার পথ তৈরি হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ মে থেকে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তার ওপর আইনগত কড়াকড়ি দেওয়া হয়েছিলো। সে সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত শেখ মামুন খালেদ, তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদ এবং আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসা বিপুল অবৈধ সম্পদ এবং দুর্নীতির তথ্যের ভিত্তিতেই আদালত তখন এই কঠোর পদক্ষেপ নেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
সুনির্দিষ্ট কিছু গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার গভীর রাতে ডিবির একটি বিশেষ দল তাকে হেফাজতে নেওয়ার পর রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই উচ্চপদস্থ সাবেক কর্মকর্তাকে নিয়ে আসা হয়েছে এবং প্রক্রিয়ার বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের এই আকস্মিক আটকের পেছনে মূলত বিশাল অংকের অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রভাবশালী অবস্থান ব্যবহার করে অবৈধভাবে ভূমি দখলের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে বলে ডিবি সূত্রে জানা গেছে। তবে সবচেয়ে বড় অভিযোগটি উঠেছে একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থাকে গত কয়েক বছরগুলোতে নজিরবিহীনভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার বিষয়ে।
দীর্ঘ সময় ধরে পর্দার আড়ালে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের যে গুঞ্জন ছিলো, এই আটকের মাধ্যমে তার একটি আইনি সুরাহার পথ তৈরি হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ মে থেকে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তার ওপর আইনগত কড়াকড়ি দেওয়া হয়েছিলো। সে সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত শেখ মামুন খালেদ, তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদ এবং আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসা বিপুল অবৈধ সম্পদ এবং দুর্নীতির তথ্যের ভিত্তিতেই আদালত তখন এই কঠোর পদক্ষেপ নেন।

আপনার মতামত লিখুন