বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে শুরু হয়েছে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টায় এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজের
সালাম গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান
তিন বাহিনীর প্রধানগণ। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও অনুষ্ঠানে
অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ,
তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ
দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিরা।
এবারের মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজের অধিনায়ক
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক।
তিনি ঘোড়ায় চড়ে মঞ্চের সামনে এসে উপ-অধিনায়কের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার
পর অনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শুরুতেই মিলিটারি পুলিশের মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রী
এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশ করেন।
২০০৮ সালের পর এই প্রথম ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবসের আনুষ্ঠানিকতায়
কুচকাওয়াজ ও প্রদর্শনী যুক্ত করা হলো। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী
সরকারের আমলেও স্বাধীনতা দিবসে এই আয়োজন বন্ধ ছিল, যদিও ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে প্যারেড
অনুষ্ঠিত হতো। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবার রমজানের শুরু
থেকেই প্যারেড স্কয়ারে জোরদার প্রস্তুতি নেওয়া হয়, যার চূড়ান্ত মহড়া সম্পন্ন হয়েছিল
গত মঙ্গলবার।
কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট সরাসরি দেখতে সকাল থেকেই প্যারেড
গ্রাউন্ডে ভিড় করেন শিশু-কিশোরসহ হাজার হাজার দর্শনার্থী। তাদের বসার জন্য বিশেষ গ্যালারি
ও চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়। উপস্থিত দর্শকদের অনেকের হাতে এবং মাথায় জাতীয় পতাকা দেখা
যায়, যা অনুষ্ঠানস্থলে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়, সশস্ত্র বাহিনী
বিভাগের তত্ত্বাবধানে এবং নবম পদাতিক ডিভিশনের ব্যবস্থাপনায় এই সুবিশাল আয়োজন সম্পন্ন
হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে শুরু হয়েছে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টায় এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজের
সালাম গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান
তিন বাহিনীর প্রধানগণ। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও অনুষ্ঠানে
অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ,
তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ
দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিরা।
এবারের মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজের অধিনায়ক
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক।
তিনি ঘোড়ায় চড়ে মঞ্চের সামনে এসে উপ-অধিনায়কের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার
পর অনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শুরুতেই মিলিটারি পুলিশের মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রী
এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশ করেন।
২০০৮ সালের পর এই প্রথম ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবসের আনুষ্ঠানিকতায়
কুচকাওয়াজ ও প্রদর্শনী যুক্ত করা হলো। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী
সরকারের আমলেও স্বাধীনতা দিবসে এই আয়োজন বন্ধ ছিল, যদিও ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে প্যারেড
অনুষ্ঠিত হতো। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবার রমজানের শুরু
থেকেই প্যারেড স্কয়ারে জোরদার প্রস্তুতি নেওয়া হয়, যার চূড়ান্ত মহড়া সম্পন্ন হয়েছিল
গত মঙ্গলবার।
কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট সরাসরি দেখতে সকাল থেকেই প্যারেড
গ্রাউন্ডে ভিড় করেন শিশু-কিশোরসহ হাজার হাজার দর্শনার্থী। তাদের বসার জন্য বিশেষ গ্যালারি
ও চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়। উপস্থিত দর্শকদের অনেকের হাতে এবং মাথায় জাতীয় পতাকা দেখা
যায়, যা অনুষ্ঠানস্থলে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়, সশস্ত্র বাহিনী
বিভাগের তত্ত্বাবধানে এবং নবম পদাতিক ডিভিশনের ব্যবস্থাপনায় এই সুবিশাল আয়োজন সম্পন্ন
হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন