মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে লাগা এই আগুনে বাজারের অন্তত ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় দুই কোটি টাকার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের পাহারাদার ও স্থানীয়রা আগুন দেখে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে কাপড়, ওষুধ, কসমেটিকস, মুদি মাল,স্বর্ণের দোকান, চায়ের দোকানএবং ইলেকট্রনিক্সের দোকানসহ মোট ১৫টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানে থাকা নগদ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ মালামাল বের করার কোনো সুযোগ পাননি তারা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দুই কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
সাটুরিয়া ফায়ার সার্ভিসের টীম লিডার সহিদুর রহমান বলেন,আমারা রাত ১.২০ মিনিটে খবর পেয়ে ২টি ইউনিট নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। তবে পানির উৎসের অভাব থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে।রঞ্জিত বসাকের কাপড়ের দোকান ও জামান মেডিসিন কর্নারসহ মোট ১৫ টি দোকান পুড়ে গেছে এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ওই সময় বৈদ্যুত ছিলো না।সুকুমার বসাকের কাপড়ের দোকানের আইপিএস থেকে থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে আগুনের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিশ্চিত করা যাবে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে লাগা এই আগুনে বাজারের অন্তত ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় দুই কোটি টাকার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের পাহারাদার ও স্থানীয়রা আগুন দেখে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে কাপড়, ওষুধ, কসমেটিকস, মুদি মাল,স্বর্ণের দোকান, চায়ের দোকানএবং ইলেকট্রনিক্সের দোকানসহ মোট ১৫টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানে থাকা নগদ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ মালামাল বের করার কোনো সুযোগ পাননি তারা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দুই কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
সাটুরিয়া ফায়ার সার্ভিসের টীম লিডার সহিদুর রহমান বলেন,আমারা রাত ১.২০ মিনিটে খবর পেয়ে ২টি ইউনিট নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। তবে পানির উৎসের অভাব থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে।রঞ্জিত বসাকের কাপড়ের দোকান ও জামান মেডিসিন কর্নারসহ মোট ১৫ টি দোকান পুড়ে গেছে এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ওই সময় বৈদ্যুত ছিলো না।সুকুমার বসাকের কাপড়ের দোকানের আইপিএস থেকে থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে আগুনের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিশ্চিত করা যাবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন