মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানকে সামরিক ও মানবিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রাশিয়ার তৈরি ড্রোনবাহী একটি জাহাজ শিগগিরই ইরানের বন্দরে পৌঁছাতে পারে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস দুই মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত
দিয়ে জানিয়েছে, গত মার্চ মাসের শুরুর দিকে তেহরান ও ক্রেমলিনের মধ্যে এক গোপন বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রতিবেদনে
বলা হয়, ড্রোন ছাড়াও এই চালানে বিপুল পরিমাণ ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রী রয়েছে। চলতি মাসের
শেষ নাগাদ এই জাহাজ ইরানের বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থান জানতে চাওয়া হলে ক্রেমলিন মুখপাত্র
দিমিত্রি পেসকভ বিষয়টি সরাসরি স্বীকার করেননি। তিনি বলেন, "বর্তমানে অনেক ভুয়া
তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে।" তবে তিনি এটি নিশ্চিত করেছেন যে, ইরানের নেতৃত্বের সাথে রাশিয়ার
নিয়মিত আলোচনা চলছে। এর আগে গত সপ্তাহে আজারবাইজানের মাধ্যমে ১৩ টন ওষুধ পাঠানোর কথা
জানিয়েছিল মস্কো।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, শুধু সামরিক সরঞ্জাম
নয়, ইরানকে গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইট ছবি ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়েও সহায়তা করছে মস্কো।
মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে এই
সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানকে সামরিক ও মানবিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রাশিয়ার তৈরি ড্রোনবাহী একটি জাহাজ শিগগিরই ইরানের বন্দরে পৌঁছাতে পারে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস দুই মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত
দিয়ে জানিয়েছে, গত মার্চ মাসের শুরুর দিকে তেহরান ও ক্রেমলিনের মধ্যে এক গোপন বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রতিবেদনে
বলা হয়, ড্রোন ছাড়াও এই চালানে বিপুল পরিমাণ ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রী রয়েছে। চলতি মাসের
শেষ নাগাদ এই জাহাজ ইরানের বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থান জানতে চাওয়া হলে ক্রেমলিন মুখপাত্র
দিমিত্রি পেসকভ বিষয়টি সরাসরি স্বীকার করেননি। তিনি বলেন, "বর্তমানে অনেক ভুয়া
তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে।" তবে তিনি এটি নিশ্চিত করেছেন যে, ইরানের নেতৃত্বের সাথে রাশিয়ার
নিয়মিত আলোচনা চলছে। এর আগে গত সপ্তাহে আজারবাইজানের মাধ্যমে ১৩ টন ওষুধ পাঠানোর কথা
জানিয়েছিল মস্কো।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, শুধু সামরিক সরঞ্জাম
নয়, ইরানকে গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইট ছবি ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়েও সহায়তা করছে মস্কো।
মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে এই
সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন