ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর প্রধান আলিরেজা তাংসিরিকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, বন্দর আব্বাসে বিমান হামলা চালিয়ে এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে।
সংবাদ সংস্থা আল–জাজিরায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া ও মাইন স্থাপনে মূল ভূমিকা ছিল আলিরেজা তাংসিরির।
আলিরেজা তাংসিরি ২০১৮ সাল থেকে আইআরজিসির নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নৌ-কৌশলের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হতেন।
তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা নিশ্চিতকরণ করা হয়নি। বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত থাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকরা ইরানের সরকারি প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর রাখছেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, তাংসিরি স্ট্রেইট অব হরমুজে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার অপারেশনের জন্য সরাসরি দায়িত্বে ছিলেন। এই হামলা ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য একটি ‘স্পষ্ট বার্তা’।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। এরপর থেকে ইসরায়েল ইরানের শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছে।
সম্প্রতি ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি ও জ্বালানি মন্ত্রী এসমাইল খাতিবও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর প্রধান আলিরেজা তাংসিরিকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, বন্দর আব্বাসে বিমান হামলা চালিয়ে এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে।
সংবাদ সংস্থা আল–জাজিরায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া ও মাইন স্থাপনে মূল ভূমিকা ছিল আলিরেজা তাংসিরির।
আলিরেজা তাংসিরি ২০১৮ সাল থেকে আইআরজিসির নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নৌ-কৌশলের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হতেন।
তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা নিশ্চিতকরণ করা হয়নি। বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত থাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকরা ইরানের সরকারি প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর রাখছেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, তাংসিরি স্ট্রেইট অব হরমুজে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার অপারেশনের জন্য সরাসরি দায়িত্বে ছিলেন। এই হামলা ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য একটি ‘স্পষ্ট বার্তা’।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। এরপর থেকে ইসরায়েল ইরানের শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছে।
সম্প্রতি ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি ও জ্বালানি মন্ত্রী এসমাইল খাতিবও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন