চেনা নিয়মের বাইরে গিয়ে এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কোনো ধরনের পূর্বনির্ধারিত সূচি ছাড়াই তিনি আজ হঠাৎ উপস্থিত হন ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে। প্রধানমন্ত্রীর এমন আকস্মিক আগমনে উপস্থিত সবাই যেমন বিস্মিত হয়েছেন, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।
মহান
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস
উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয়
স্টেডিয়ামে সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে এক প্রীতি
ম্যাচের আয়োজন করা হয়। সাবেক
ফুটবলাররা লাল ও সবুজ;
এই দুই দলে বিভক্ত
হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি
নিচ্ছিলেন।
খেলোয়াড়রা
যখন ডাগআউটে বসে খেলা শুরুর
অপেক্ষা করছেন, ঠিক তখনই কোনো
ঘোষণা ছাড়াই মাঠে প্রবেশ করেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন
কন্যা জাইমা রহমান এবং যুব ও
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রধানমন্ত্রী
সরাসরি ভিআইপি গেট দিয়ে মাঠে
প্রবেশ করে ডাগআউটের দিকে
এগিয়ে যান। সেখানে গিয়ে
তিনি মাঠে উপস্থিত খেলোয়াড়দের
সঙ্গে কুশল বিনিময় ও
হ্যান্ডশেক করেন।
এরপর
তিনি অ্যাথলেটিক ট্র্যাক দিয়ে পুরো মাঠ
প্রদক্ষিণ করেন। মাঠ পরিদর্শন শেষে
তিনি গ্যালারিতে না গিয়ে সরাসরি
ডাগআউটে গিয়ে সাধারণ দর্শকদের
মতো বসে পড়েন। কোনো
দেশের সরকার প্রধানের এভাবে ডাগআউটে বসে খেলা দেখার
ঘটনা বিরল। সেখানে বসেই তিনি সাবেক
ফুটবলারদের নৈপুণ্য উপভোগ করেন।
খেলার
মধ্যাহ্ন বিরতির সময় প্রধানমন্ত্রী ভিভিআইপি
লাউঞ্জে গিয়ে আসরের নামাজ
আদায় করেন। নামাজ শেষে তিনি আবারও
ডাগআউটে ফিরে এসে খেলা
উপভোগ করা শুরু করেন।
সরকার
প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ক্রীড়াঙ্গনে
তাঁর প্রথম কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ
এবং কোনো আনুষ্ঠানিক
প্রটোকল ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে অবস্থান করছিলেন ও খেলোয়াড়দের উৎসাহ
দিচ্ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
চেনা নিয়মের বাইরে গিয়ে এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কোনো ধরনের পূর্বনির্ধারিত সূচি ছাড়াই তিনি আজ হঠাৎ উপস্থিত হন ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে। প্রধানমন্ত্রীর এমন আকস্মিক আগমনে উপস্থিত সবাই যেমন বিস্মিত হয়েছেন, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।
মহান
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস
উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয়
স্টেডিয়ামে সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে এক প্রীতি
ম্যাচের আয়োজন করা হয়। সাবেক
ফুটবলাররা লাল ও সবুজ;
এই দুই দলে বিভক্ত
হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি
নিচ্ছিলেন।
খেলোয়াড়রা
যখন ডাগআউটে বসে খেলা শুরুর
অপেক্ষা করছেন, ঠিক তখনই কোনো
ঘোষণা ছাড়াই মাঠে প্রবেশ করেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন
কন্যা জাইমা রহমান এবং যুব ও
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রধানমন্ত্রী
সরাসরি ভিআইপি গেট দিয়ে মাঠে
প্রবেশ করে ডাগআউটের দিকে
এগিয়ে যান। সেখানে গিয়ে
তিনি মাঠে উপস্থিত খেলোয়াড়দের
সঙ্গে কুশল বিনিময় ও
হ্যান্ডশেক করেন।
এরপর
তিনি অ্যাথলেটিক ট্র্যাক দিয়ে পুরো মাঠ
প্রদক্ষিণ করেন। মাঠ পরিদর্শন শেষে
তিনি গ্যালারিতে না গিয়ে সরাসরি
ডাগআউটে গিয়ে সাধারণ দর্শকদের
মতো বসে পড়েন। কোনো
দেশের সরকার প্রধানের এভাবে ডাগআউটে বসে খেলা দেখার
ঘটনা বিরল। সেখানে বসেই তিনি সাবেক
ফুটবলারদের নৈপুণ্য উপভোগ করেন।
খেলার
মধ্যাহ্ন বিরতির সময় প্রধানমন্ত্রী ভিভিআইপি
লাউঞ্জে গিয়ে আসরের নামাজ
আদায় করেন। নামাজ শেষে তিনি আবারও
ডাগআউটে ফিরে এসে খেলা
উপভোগ করা শুরু করেন।
সরকার
প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ক্রীড়াঙ্গনে
তাঁর প্রথম কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ
এবং কোনো আনুষ্ঠানিক
প্রটোকল ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে অবস্থান করছিলেন ও খেলোয়াড়দের উৎসাহ
দিচ্ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন