বৈশ্বিক সরবরাহ জটিলতার মধ্যেও দেশের জ্বালানি মজুত বাড়তে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে। নতুন এই চালানে মোট ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল এল।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজটি পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকালে দেশে এসেছে। ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে আসা এই জাহাজটি এসে পৌঁছায় জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে।
ডিজেল পরিবহন ও শিল্পখাতে ব্যবহার করা হবে, আর জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। বর্তমানে দেশে ১৩ দিনের ডিজেল ও ২৫ দিনের জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহে বিলম্বের কারণে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছিল। এ মাসে মোট ১৭টি জাহাজে জ্বালানি আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এসেছে ৯টি। ছয়টি জাহাজের সূচি অনিশ্চিত রয়েছে।
বিপিসি সূত্র জানায়, আসছে এপ্রিলে সমুদ্রপথে ১৪টি জাহাজ ও পাইপলাইনে ৩টি পার্সেলের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন ও ৫০ হাজার টন ফার্নেস তেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল ও পাইপলাইনে ২০ হাজার টন সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে।
দেশের জ্বালানি ব্যবহারের বড় অংশই ডিজেলনির্ভর। কৃষি সেচ, সড়ক পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন- সর্বত্রই ডিজেলের ব্যবহার বেশি। বছরে দেশে প্রায় ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ আটটি দেশ থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল আসে।
বিপিসি জানিয়েছে, বিকল্প উৎস থেকেও তেল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। মে মাসে ১৭টি জাহাজে সাড়ে তিন লাখ টন ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি আসার সূচি ঠিক করা হয়েছে। তবে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো চূড়ান্ত নিশ্চয়তা দেয়নি।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
বৈশ্বিক সরবরাহ জটিলতার মধ্যেও দেশের জ্বালানি মজুত বাড়তে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে। নতুন এই চালানে মোট ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল এল।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজটি পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকালে দেশে এসেছে। ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে আসা এই জাহাজটি এসে পৌঁছায় জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে।
ডিজেল পরিবহন ও শিল্পখাতে ব্যবহার করা হবে, আর জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। বর্তমানে দেশে ১৩ দিনের ডিজেল ও ২৫ দিনের জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহে বিলম্বের কারণে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছিল। এ মাসে মোট ১৭টি জাহাজে জ্বালানি আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এসেছে ৯টি। ছয়টি জাহাজের সূচি অনিশ্চিত রয়েছে।
বিপিসি সূত্র জানায়, আসছে এপ্রিলে সমুদ্রপথে ১৪টি জাহাজ ও পাইপলাইনে ৩টি পার্সেলের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন ও ৫০ হাজার টন ফার্নেস তেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল ও পাইপলাইনে ২০ হাজার টন সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে।
দেশের জ্বালানি ব্যবহারের বড় অংশই ডিজেলনির্ভর। কৃষি সেচ, সড়ক পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন- সর্বত্রই ডিজেলের ব্যবহার বেশি। বছরে দেশে প্রায় ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ আটটি দেশ থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল আসে।
বিপিসি জানিয়েছে, বিকল্প উৎস থেকেও তেল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। মে মাসে ১৭টি জাহাজে সাড়ে তিন লাখ টন ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি আসার সূচি ঠিক করা হয়েছে। তবে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো চূড়ান্ত নিশ্চয়তা দেয়নি।

আপনার মতামত লিখুন