ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় মিয়ামি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ওসি আবদুল মমিন জানান, স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে কারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলেই মারা যান প্রাইভেটকারের চালক। পরে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়। নিহত পাঁচজনই প্রাইভেটকারের যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার চাতারপাইয়া গ্রামের আব্দুল মমিন (৫০), তাঁর স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭), মেয়ে লাবিবা (১৮) এবং প্রাইভেটকারের চালক জামাল হোসেন (৫২)। চালকের বাড়ি বরিশাল জেলায়।
দুর্ঘটনায় আব্দুল মমিনের আরেক ছেলে আবরার (১২) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পারিবারিক প্রয়োজনে নোয়াখালী থেকে কুমিল্লা হয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন আব্দুল মমিন ও তার পরিবার। কিন্তু মহাসড়কের কালাকচুয়া এলাকায় বাসের ধাক্কায় মৃত্যু হয় চার সদস্যের। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বাসটিকে জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় মিয়ামি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ওসি আবদুল মমিন জানান, স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে কারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলেই মারা যান প্রাইভেটকারের চালক। পরে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়। নিহত পাঁচজনই প্রাইভেটকারের যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার চাতারপাইয়া গ্রামের আব্দুল মমিন (৫০), তাঁর স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭), মেয়ে লাবিবা (১৮) এবং প্রাইভেটকারের চালক জামাল হোসেন (৫২)। চালকের বাড়ি বরিশাল জেলায়।
দুর্ঘটনায় আব্দুল মমিনের আরেক ছেলে আবরার (১২) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পারিবারিক প্রয়োজনে নোয়াখালী থেকে কুমিল্লা হয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন আব্দুল মমিন ও তার পরিবার। কিন্তু মহাসড়কের কালাকচুয়া এলাকায় বাসের ধাক্কায় মৃত্যু হয় চার সদস্যের। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বাসটিকে জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

আপনার মতামত লিখুন