রংপুর বিভাগীয় নগরীতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে অর্ধশতাধিক ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে। এতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চলাচলে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
ফিলিং স্টেশন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যার পর থেকে পার্বতীপুর ও নগরের স্টেশন এলাকার ডিপোগুলো থেকে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এ কারণে পাম্পগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকেরা।
নগরের বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, তেল সরবরাহের মেশিন ঢেকে রাখা হয়েছে। তেল না পেয়ে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার নিয়ে আসা চালকেরা ফিরে যাচ্ছেন।
ঢাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে বের হওয়া সেলায়মান আলী বলেন, ‘নগরের অন্তত ১০টি পাম্প ঘুরেও তেল পাইনি। এক ঘণ্টায় ৫ লিটারের বেশি তেল শেষ হয়েছে। এখন কীভাবে ঢাকায় ফিরব, বুঝতে পারছি না।’
নীলফামারী যাওয়ার পথে একই ভোগান্তির কথা জানান ওষুধ কোম্পানির কর্মী মোস্তাক আহাম্মেদ। তিনি বলেন, ‘পাঁচটি পাম্প ঘুরেছি, কোথাও তেল নেই। জরুরি কাজ থাকলেও যেতে পারছি না।’
নগরের একটি পাম্পের কর্মী আমিনুল বলেন, বুধবার ডিপো থেকে পাওয়া ৬ হাজার লিটার তেল দুপুরের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। ‘তেল না থাকায় মানুষের ধৈর্য কমে গেছে। জনরোষের আশঙ্কায় পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে,’ বলেন তিনি।
লালবাগ এলাকার পাম্পগুলোর ব্যবস্থাপকরা জানান, তেলবাহী লরি পার্বতীপুরে গেলেও এখনো জ্বালানি সরবরাহ পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিভিন্ন পাম্পে অকটেন ও পেট্রোল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মোটরসাইকেল চালকেরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাব ও ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের কার্যকর ভূমিকা না থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মহসিন বলেন, ডিপো থেকে জ্বালানি না পাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে। শুক্রবার ডিপো বন্ধ থাকায় সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে স্টেশন চালু রাখা কঠিন হবে।’

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
রংপুর বিভাগীয় নগরীতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে অর্ধশতাধিক ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে। এতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চলাচলে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
ফিলিং স্টেশন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যার পর থেকে পার্বতীপুর ও নগরের স্টেশন এলাকার ডিপোগুলো থেকে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এ কারণে পাম্পগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকেরা।
নগরের বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, তেল সরবরাহের মেশিন ঢেকে রাখা হয়েছে। তেল না পেয়ে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার নিয়ে আসা চালকেরা ফিরে যাচ্ছেন।
ঢাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে বের হওয়া সেলায়মান আলী বলেন, ‘নগরের অন্তত ১০টি পাম্প ঘুরেও তেল পাইনি। এক ঘণ্টায় ৫ লিটারের বেশি তেল শেষ হয়েছে। এখন কীভাবে ঢাকায় ফিরব, বুঝতে পারছি না।’
নীলফামারী যাওয়ার পথে একই ভোগান্তির কথা জানান ওষুধ কোম্পানির কর্মী মোস্তাক আহাম্মেদ। তিনি বলেন, ‘পাঁচটি পাম্প ঘুরেছি, কোথাও তেল নেই। জরুরি কাজ থাকলেও যেতে পারছি না।’
নগরের একটি পাম্পের কর্মী আমিনুল বলেন, বুধবার ডিপো থেকে পাওয়া ৬ হাজার লিটার তেল দুপুরের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। ‘তেল না থাকায় মানুষের ধৈর্য কমে গেছে। জনরোষের আশঙ্কায় পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে,’ বলেন তিনি।
লালবাগ এলাকার পাম্পগুলোর ব্যবস্থাপকরা জানান, তেলবাহী লরি পার্বতীপুরে গেলেও এখনো জ্বালানি সরবরাহ পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিভিন্ন পাম্পে অকটেন ও পেট্রোল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মোটরসাইকেল চালকেরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাব ও ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের কার্যকর ভূমিকা না থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মহসিন বলেন, ডিপো থেকে জ্বালানি না পাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে। শুক্রবার ডিপো বন্ধ থাকায় সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে স্টেশন চালু রাখা কঠিন হবে।’

আপনার মতামত লিখুন