সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

পলাশবাড়ীতে থানায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, মামলা; আটক ১


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬

পলাশবাড়ীতে থানায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, মামলা; আটক ১

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে থানার ভেতরে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে যুব জামায়াতের ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০–১২ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তহিদুল ইসলাম কানন নামে এক গণমাধ্যমকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার (২৫ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কালীবাড়ী হাটের একটি সরকারি দোকানঘর বরাদ্দসংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে যুব জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অভিযোগের দ্রুত সমাধান চাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, দুজন উপপরিদর্শক (এসআই) ও তিনজন সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, যুব জামায়াতের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, থানায় সেবা নিতে গিয়ে তারা পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাশিত আচরণ পাননি। তাঁদের দাবি, ওসি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন এবং এতে কয়েকজন সেবাপ্রত্যাশী আহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় যুব জামায়াতের সভাপতি আ. লতিফ বলেন, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন; তবে বিস্তারিত না জেনে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

ঘটনার পর গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা থানায় গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ফুটেজ দেখাতে রাজি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানার উপপরিদর্শক রেজাউল করিম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) একটি মামলা করেছেন।

গাইবান্ধার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) বলেন, ‘থানার ভেতরে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগটি অনভিপ্রেত। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬


পলাশবাড়ীতে থানায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, মামলা; আটক ১

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে থানার ভেতরে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে যুব জামায়াতের ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০–১২ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তহিদুল ইসলাম কানন নামে এক গণমাধ্যমকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার (২৫ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কালীবাড়ী হাটের একটি সরকারি দোকানঘর বরাদ্দসংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে যুব জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অভিযোগের দ্রুত সমাধান চাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, দুজন উপপরিদর্শক (এসআই) ও তিনজন সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, যুব জামায়াতের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, থানায় সেবা নিতে গিয়ে তারা পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাশিত আচরণ পাননি। তাঁদের দাবি, ওসি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন এবং এতে কয়েকজন সেবাপ্রত্যাশী আহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় যুব জামায়াতের সভাপতি আ. লতিফ বলেন, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন; তবে বিস্তারিত না জেনে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

ঘটনার পর গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা থানায় গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ফুটেজ দেখাতে রাজি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানার উপপরিদর্শক রেজাউল করিম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) একটি মামলা করেছেন।

গাইবান্ধার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) বলেন, ‘থানার ভেতরে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগটি অনভিপ্রেত। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত