সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ফুঁসলিয়ে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর বাবার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। সেই বক্তব্য রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণী (২৩) উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের খাগড়াঘাট গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সমাজসেবা অধিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী। তাঁর বাবা আবু ইছা মোল্লা স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু ইছা মোল্লার সঙ্গে একই এলাকার নুরুজ্জামানের পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। এর জেরে ওই তরুণীকে একটি ঘেরের বাসায় ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে বাবার বিরুদ্ধে বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। পরে সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, নুরুজ্জামানের স্ত্রী তাঁকে বাসায় ডেকে নেন। পরে নুরুজ্জামান ভয় দেখিয়ে বাবার বিরুদ্ধে কথা বলতে বলেন। তিনি রাজি না হলে তাঁকে দা দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। ‘পরে তারা যা বলেছে, আমি তাই বলতে বাধ্য হই,’ বলেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘ইছা হুজুর দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ভালো মানুষ। প্রতিবন্ধী মেয়েটির সুযোগ নেওয়া হয়েছে।’
আবু ইছা মোল্লা বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে নুরুজ্জামান বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়; বরং আবু ইছা মোল্লাই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ফুঁসলিয়ে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর বাবার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। সেই বক্তব্য রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণী (২৩) উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের খাগড়াঘাট গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সমাজসেবা অধিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী। তাঁর বাবা আবু ইছা মোল্লা স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু ইছা মোল্লার সঙ্গে একই এলাকার নুরুজ্জামানের পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। এর জেরে ওই তরুণীকে একটি ঘেরের বাসায় ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে বাবার বিরুদ্ধে বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। পরে সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, নুরুজ্জামানের স্ত্রী তাঁকে বাসায় ডেকে নেন। পরে নুরুজ্জামান ভয় দেখিয়ে বাবার বিরুদ্ধে কথা বলতে বলেন। তিনি রাজি না হলে তাঁকে দা দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। ‘পরে তারা যা বলেছে, আমি তাই বলতে বাধ্য হই,’ বলেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘ইছা হুজুর দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ভালো মানুষ। প্রতিবন্ধী মেয়েটির সুযোগ নেওয়া হয়েছে।’
আবু ইছা মোল্লা বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে নুরুজ্জামান বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়; বরং আবু ইছা মোল্লাই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন