মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির চরম অবনতির মাঝে এবার আরও কঠোর অবস্থান নিল ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালির কোনো করিডোর ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মিত্র কিংবা সমর্থকদের কোনো পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স
নিউজের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কার্যকরভাবে বন্ধ রয়েছে এবং
এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী যেকোনো ‘নিষিদ্ধ’ জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
আইআরজিসি নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ শুক্রবার
নতুন সতর্কবার্তা জারির পরপরই বিভিন্ন দেশের তিনটি বড় কন্টেইনারবাহী জাহাজকে হরমুজ
প্রণালিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। ওই জাহাজগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমর্থক
দেশগুলোর বন্দরের দিকে যাচ্ছিল বলে দাবি করেছে ইরান।
ইরান বলছে, তাদের এই পদক্ষেপ মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের
চলমান আগ্রাসনের জবাব। তেহরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, তাদের ওপর হামলা হলে তারা
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি রুটটি অচল করে দেবে। আইআরজিসি’র নতুন এই নিষেধাজ্ঞার
ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও পণ্য পরিবহনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির চরম অবনতির মাঝে এবার আরও কঠোর অবস্থান নিল ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালির কোনো করিডোর ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মিত্র কিংবা সমর্থকদের কোনো পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স
নিউজের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কার্যকরভাবে বন্ধ রয়েছে এবং
এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী যেকোনো ‘নিষিদ্ধ’ জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
আইআরজিসি নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ শুক্রবার
নতুন সতর্কবার্তা জারির পরপরই বিভিন্ন দেশের তিনটি বড় কন্টেইনারবাহী জাহাজকে হরমুজ
প্রণালিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। ওই জাহাজগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমর্থক
দেশগুলোর বন্দরের দিকে যাচ্ছিল বলে দাবি করেছে ইরান।
ইরান বলছে, তাদের এই পদক্ষেপ মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের
চলমান আগ্রাসনের জবাব। তেহরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, তাদের ওপর হামলা হলে তারা
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি রুটটি অচল করে দেবে। আইআরজিসি’র নতুন এই নিষেধাজ্ঞার
ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও পণ্য পরিবহনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন