সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬

সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে মোট ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) এ হামলা ঘটে।

মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের বেশ কয়েকটি রি-ফুয়েলিং বিমানও বিধ্বস্ত হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য রয়েছে। তারা সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা এবং মার্কিন সামরিক বিমানের কার্যক্রমে সহায়তা দেয়। রিয়াদের প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে কিছু সৈন্য মোতায়েন রয়েছে, যারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি এবং থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মতো সরঞ্জাম পরিচালনা করে।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬


সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে মোট ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) এ হামলা ঘটে।

মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের বেশ কয়েকটি রি-ফুয়েলিং বিমানও বিধ্বস্ত হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য রয়েছে। তারা সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা এবং মার্কিন সামরিক বিমানের কার্যক্রমে সহায়তা দেয়। রিয়াদের প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে কিছু সৈন্য মোতায়েন রয়েছে, যারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি এবং থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মতো সরঞ্জাম পরিচালনা করে।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।



সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত