ইরান যুদ্ধ শুরুর এক মাস পূর্ণ হওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক শক্তি বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগনের নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার কয়েক হাজার মার্কিন নৌ ও মেরিন সেনা এই অঞ্চলে পৌঁছেছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সেন্টকম জানিয়েছে, মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস
ত্রিপোলি তার ‘দায়িত্বের এলাকায়’ পৌঁছেছে। কৌশলগত কারণে এই যুদ্ধজাহাজ বা সেনাদের সুনির্দিষ্ট
অবস্থান প্রকাশ করেনি ওয়াশিংটন। তবে এই রণতরিটির দায়িত্বের এলাকা উত্তর-পূর্ব আফ্রিকা,
মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।
এর আগে জাপানের জলসীমায় অবস্থান করা এই ইউনিটটিতে প্রায় ৫
হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা রয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এটি জলে ও
স্থলে সমানভাবে যুদ্ধ করতে পারদর্শী একটি শক্তিশালী ইউনিটের নেতৃত্ব দেবে।
মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ মেরিন সেনা মোতায়েন করায় ইরানে
সম্ভাব্য স্থল অভিযানের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো
রুবিও বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন।
ফ্রান্সে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে
তিনি সাংবাদিকদের বলেন:
"ইরানে কোনো স্থলবাহিনী ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য
অর্জন করতে সক্ষম হবে। এই যুদ্ধ কয়েক মাস ধরে চলবে না, বরং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ
হবে।"
সিএনএন ও বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান
উত্তেজনার মাঝে পেন্টাগনের এই পদক্ষেপ ইরানকে বড় ধরনের চাপের মুখে ফেলার কৌশল হিসেবে
দেখা হচ্ছে। যদিও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার আশ্বাস দিয়েছেন, তবে হাজার
হাজার সেনার উপস্থিতি এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী সামরিক প্রস্তুতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধ শুরুর এক মাস পূর্ণ হওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক শক্তি বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগনের নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার কয়েক হাজার মার্কিন নৌ ও মেরিন সেনা এই অঞ্চলে পৌঁছেছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সেন্টকম জানিয়েছে, মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস
ত্রিপোলি তার ‘দায়িত্বের এলাকায়’ পৌঁছেছে। কৌশলগত কারণে এই যুদ্ধজাহাজ বা সেনাদের সুনির্দিষ্ট
অবস্থান প্রকাশ করেনি ওয়াশিংটন। তবে এই রণতরিটির দায়িত্বের এলাকা উত্তর-পূর্ব আফ্রিকা,
মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।
এর আগে জাপানের জলসীমায় অবস্থান করা এই ইউনিটটিতে প্রায় ৫
হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা রয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এটি জলে ও
স্থলে সমানভাবে যুদ্ধ করতে পারদর্শী একটি শক্তিশালী ইউনিটের নেতৃত্ব দেবে।
মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ মেরিন সেনা মোতায়েন করায় ইরানে
সম্ভাব্য স্থল অভিযানের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো
রুবিও বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন।
ফ্রান্সে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে
তিনি সাংবাদিকদের বলেন:
"ইরানে কোনো স্থলবাহিনী ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য
অর্জন করতে সক্ষম হবে। এই যুদ্ধ কয়েক মাস ধরে চলবে না, বরং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ
হবে।"
সিএনএন ও বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান
উত্তেজনার মাঝে পেন্টাগনের এই পদক্ষেপ ইরানকে বড় ধরনের চাপের মুখে ফেলার কৌশল হিসেবে
দেখা হচ্ছে। যদিও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার আশ্বাস দিয়েছেন, তবে হাজার
হাজার সেনার উপস্থিতি এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী সামরিক প্রস্তুতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন