যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও গর্জে উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী জনতা। ‘নো কিংস’ (No Kings) আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রোববার (২৯ মার্চ) রাজপথে নেমে আসেন লাখ লাখ মার্কিনি।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফার বড় কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচি।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের আন্দোলন কেবল বড়
শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ছোট-বড় মফস্বল শহরসহ
প্রায় ৩ হাজার ৩০০টিরও বেশি স্থানে একযোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী,
এসব কর্মসূচিতে অন্তত ৮০ লাখ মানুষ সরাসরি অংশ নিয়েছেন।
বিক্ষোভকারীদের প্রধান শ্লোগান ছিল ‘নো কিংস’। তাদের দাবি,
ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক কাঠামোর চেয়ে একনায়কতন্ত্রের দিকে বেশি ধাবিত
হচ্ছে। মূলত প্রেসিডেন্টের অপ্রতিহত ক্ষমতা চর্চা এবং সাম্প্রতিক কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের
বিরুদ্ধেই এই গণবিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশের উল্লেখযোগ্য কিছু দিক:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এত বিপুল সংখ্যক মানুষের রাজপথে
নেমে আসা ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ব্যাপক জনচাপ তৈরি করবে। বিশেষ করে ছোট মফস্বলগুলোতেও
আন্দোলনের ছড়িয়ে পড়া হোয়াইট হাউসের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও গর্জে উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী জনতা। ‘নো কিংস’ (No Kings) আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রোববার (২৯ মার্চ) রাজপথে নেমে আসেন লাখ লাখ মার্কিনি।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফার বড় কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচি।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের আন্দোলন কেবল বড়
শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ছোট-বড় মফস্বল শহরসহ
প্রায় ৩ হাজার ৩০০টিরও বেশি স্থানে একযোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী,
এসব কর্মসূচিতে অন্তত ৮০ লাখ মানুষ সরাসরি অংশ নিয়েছেন।
বিক্ষোভকারীদের প্রধান শ্লোগান ছিল ‘নো কিংস’। তাদের দাবি,
ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক কাঠামোর চেয়ে একনায়কতন্ত্রের দিকে বেশি ধাবিত
হচ্ছে। মূলত প্রেসিডেন্টের অপ্রতিহত ক্ষমতা চর্চা এবং সাম্প্রতিক কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের
বিরুদ্ধেই এই গণবিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশের উল্লেখযোগ্য কিছু দিক:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এত বিপুল সংখ্যক মানুষের রাজপথে
নেমে আসা ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ব্যাপক জনচাপ তৈরি করবে। বিশেষ করে ছোট মফস্বলগুলোতেও
আন্দোলনের ছড়িয়ে পড়া হোয়াইট হাউসের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন