মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কার্যত জ্বালানি অবরোধ থাকা সত্ত্বেও রাশিয়াসহ যেকোনো দেশ কিউবায় তেল পাঠাতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (২৯ মার্চ) ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো এস্টেট থেকে ওয়াশিংটন ফেরার পথে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সংকটাপন্ন দ্বীপরাষ্ট্র কিউবায় একটি রুশ তেলবাহী জাহাজ জরুরি অপরিশোধিত তেল নিয়ে পৌঁছানোর প্রাক্কালে ট্রাম্পের এই নমনীয় মন্তব্য সামনে এলো। তবে তেল সরবরাহে আপত্তি না থাকলেও কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের পতন আসন্ন বলে দাবি করেছেন তিনি।
মানবিক দিক বিবেচনা করে ট্রাম্প বলেন, "এ মুহূর্তে কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল পাঠাতে চায়—তা রাশিয়া হোক বা অন্য কেউ—আমার এতে কোনো সমস্যা নেই। আমি বরং তেল ঢুকতে দিতে চাই। কারণ, সাধারণ মানুষের গরম, ঠান্ডা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধার জন্য জ্বালানি দরকার।"
জ্বালানি সরবরাহে সায় দিলেও কিউবার বর্তমান শাসনব্যবস্থার ওপর তীব্র আক্রমণ চালিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, "কিউবা শেষ হয়ে গেছে। তাদের শাসনব্যবস্থা খারাপ, নেতৃত্ব দুর্নীতিগ্রস্ত। একটি তেলের জাহাজ পেলেও তাতে কোনো বড় পরিবর্তন হবে না।" তিনি আরও দাবি করেন, কিউবার বর্তমান সরকার ‘অল্প সময়ের মধ্যেই’ ব্যর্থ হয়ে পড়বে এবং ভেঙে যাবে।
শিপিং ট্র্যাকার মেরিনট্রাফিক জানিয়েছে, ‘আনাতোলি কলোদকিন’ নামের একটি রুশ জাহাজ ৭ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে কিউবার উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থান করছে। আশা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার নাগাদ জাহাজটি দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় মাতানজাস বন্দরে নোঙর করবে। গত জানুয়ারি মাসের পর এটিই হবে কিউবায় আসা প্রথম তেলের চালান, যা দেশটির ৯৬ লক্ষ মানুষের চরম জ্বালানি সংকটে কিছুটা স্বস্তি দেবে।
গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর কিউবা তাদের প্রধান তেল সরবরাহকারী মিত্রকে হারায়। তখন ট্রাম্প কিউবায় তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। তবে রোববার তার সুর কিছুটা নরম হলেও তিনি বলেন:
"আমরা আমাদের কিউবান-আমেরিকানদের সাহায্য করব, যাদের কিউবা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। কিউবাই হবে পরবর্তী লক্ষ্য। এটি ভেঙে পড়লে আমরা সাহায্য নিয়ে সেখানে থাকব।"

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কার্যত জ্বালানি অবরোধ থাকা সত্ত্বেও রাশিয়াসহ যেকোনো দেশ কিউবায় তেল পাঠাতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (২৯ মার্চ) ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো এস্টেট থেকে ওয়াশিংটন ফেরার পথে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সংকটাপন্ন দ্বীপরাষ্ট্র কিউবায় একটি রুশ তেলবাহী জাহাজ জরুরি অপরিশোধিত তেল নিয়ে পৌঁছানোর প্রাক্কালে ট্রাম্পের এই নমনীয় মন্তব্য সামনে এলো। তবে তেল সরবরাহে আপত্তি না থাকলেও কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের পতন আসন্ন বলে দাবি করেছেন তিনি।
মানবিক দিক বিবেচনা করে ট্রাম্প বলেন, "এ মুহূর্তে কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল পাঠাতে চায়—তা রাশিয়া হোক বা অন্য কেউ—আমার এতে কোনো সমস্যা নেই। আমি বরং তেল ঢুকতে দিতে চাই। কারণ, সাধারণ মানুষের গরম, ঠান্ডা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধার জন্য জ্বালানি দরকার।"
জ্বালানি সরবরাহে সায় দিলেও কিউবার বর্তমান শাসনব্যবস্থার ওপর তীব্র আক্রমণ চালিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, "কিউবা শেষ হয়ে গেছে। তাদের শাসনব্যবস্থা খারাপ, নেতৃত্ব দুর্নীতিগ্রস্ত। একটি তেলের জাহাজ পেলেও তাতে কোনো বড় পরিবর্তন হবে না।" তিনি আরও দাবি করেন, কিউবার বর্তমান সরকার ‘অল্প সময়ের মধ্যেই’ ব্যর্থ হয়ে পড়বে এবং ভেঙে যাবে।
শিপিং ট্র্যাকার মেরিনট্রাফিক জানিয়েছে, ‘আনাতোলি কলোদকিন’ নামের একটি রুশ জাহাজ ৭ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে কিউবার উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থান করছে। আশা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার নাগাদ জাহাজটি দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় মাতানজাস বন্দরে নোঙর করবে। গত জানুয়ারি মাসের পর এটিই হবে কিউবায় আসা প্রথম তেলের চালান, যা দেশটির ৯৬ লক্ষ মানুষের চরম জ্বালানি সংকটে কিছুটা স্বস্তি দেবে।
গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর কিউবা তাদের প্রধান তেল সরবরাহকারী মিত্রকে হারায়। তখন ট্রাম্প কিউবায় তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। তবে রোববার তার সুর কিছুটা নরম হলেও তিনি বলেন:
"আমরা আমাদের কিউবান-আমেরিকানদের সাহায্য করব, যাদের কিউবা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। কিউবাই হবে পরবর্তী লক্ষ্য। এটি ভেঙে পড়লে আমরা সাহায্য নিয়ে সেখানে থাকব।"

আপনার মতামত লিখুন