ইরানের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হাজার হাজার মার্কিন প্যারাট্রুপার। মার্কিন সেনাবাহিনীর অভিজাত ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের এই সৈন্যরা সোমবার (৩০ মার্চ) থেকে ওই অঞ্চলে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন বলে রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন দুই মার্কিন কর্মকর্তা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে ভাবছেন, ঠিক তখনই এই বিশাল সৈন্য মোতায়েন সম্পন্ন হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সৈন্যদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান গোপন রাখা হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের প্রয়োজন পড়লে এই বাহিনীকে বিভিন্ন কৌশলগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে ইরানের তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করা। উল্লেখ্য, ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল এই দ্বীপটি থেকেই রপ্তানি হয়।
"ইরানে সরাসরি সৈন্য পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও না হলেও, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত অভিযানের জন্য বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।"
বিশ্লেষকরা বলছেন, খার্গ দ্বীপ দখলের মতো কোনো পদক্ষেপ হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, এই অভিযানে মার্কিন সেনাদের ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং ড্রোন হামলার সরাসরি মোকাবিলা করতে হবে।
এর আগে গত ১৮ মার্চ রয়টার্স প্রথম জানিয়েছিল যে, ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে, যা শেষ পর্যন্ত ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হাজার হাজার মার্কিন প্যারাট্রুপার। মার্কিন সেনাবাহিনীর অভিজাত ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের এই সৈন্যরা সোমবার (৩০ মার্চ) থেকে ওই অঞ্চলে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন বলে রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন দুই মার্কিন কর্মকর্তা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে ভাবছেন, ঠিক তখনই এই বিশাল সৈন্য মোতায়েন সম্পন্ন হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সৈন্যদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান গোপন রাখা হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের প্রয়োজন পড়লে এই বাহিনীকে বিভিন্ন কৌশলগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে ইরানের তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করা। উল্লেখ্য, ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল এই দ্বীপটি থেকেই রপ্তানি হয়।
"ইরানে সরাসরি সৈন্য পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও না হলেও, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত অভিযানের জন্য বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।"
বিশ্লেষকরা বলছেন, খার্গ দ্বীপ দখলের মতো কোনো পদক্ষেপ হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, এই অভিযানে মার্কিন সেনাদের ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং ড্রোন হামলার সরাসরি মোকাবিলা করতে হবে।
এর আগে গত ১৮ মার্চ রয়টার্স প্রথম জানিয়েছিল যে, ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে, যা শেষ পর্যন্ত ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন