সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বগুড়ায় ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ লাইনচ্যুত: তিন পর্যায়ে দায়িত্বে অবহেলা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬

বগুড়ায় ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ লাইনচ্যুত: তিন পর্যায়ে দায়িত্বে অবহেলা

ঢাকা-চিলাহাটির মধ্যে চলাচল করা নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন বগুড়ায় লাইনচ্যুতির ঘটনায় করা তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তিন পর্যায়ে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি উঠে এসেছে। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জিএম ফরিদ আহম্মেদ তদন্ত প্রতিবেনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা এবং প্রতিষ্ঠিত রেল বিধিমালার লঙ্ঘন সুস্পষ্ট করা হয়েছে। বিশেষ করে, স্টেশন মাস্টারের পক্ষ থেকে চালককে প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা না দেওয়া এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাধ্যমে সঠিক দূরত্বে লাল পতাকা প্রদর্শন না করাকে বড় ত্রুটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, ট্রেনের লোকোমাস্টারেরও সামনে থাকা সংকেত বা কাজের বিষয়ে যথেষ্ট সতর্কতার অভাব ছিল বলে জানা যায়। এই ত্রুটিগুলোর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাগ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। 

এর আগে চলতি মাসের গেল ১৮ মার্চ দুপুরে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বগুড়ার সান্তাহার জংশন অতিক্রম করার পরপরই বাগবাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হলে আহত হন ৬৬ যাত্রী। তাদের আদমদিঘী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নওগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়। ফলে ওই রুটে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা-রাজশাহীর রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬


বগুড়ায় ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ লাইনচ্যুত: তিন পর্যায়ে দায়িত্বে অবহেলা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঢাকা-চিলাহাটির মধ্যে চলাচল করা নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন বগুড়ায় লাইনচ্যুতির ঘটনায় করা তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তিন পর্যায়ে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি উঠে এসেছে। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জিএম ফরিদ আহম্মেদ তদন্ত প্রতিবেনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা এবং প্রতিষ্ঠিত রেল বিধিমালার লঙ্ঘন সুস্পষ্ট করা হয়েছে। বিশেষ করে, স্টেশন মাস্টারের পক্ষ থেকে চালককে প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা না দেওয়া এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাধ্যমে সঠিক দূরত্বে লাল পতাকা প্রদর্শন না করাকে বড় ত্রুটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, ট্রেনের লোকোমাস্টারেরও সামনে থাকা সংকেত বা কাজের বিষয়ে যথেষ্ট সতর্কতার অভাব ছিল বলে জানা যায়। এই ত্রুটিগুলোর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাগ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। 

এর আগে চলতি মাসের গেল ১৮ মার্চ দুপুরে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বগুড়ার সান্তাহার জংশন অতিক্রম করার পরপরই বাগবাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হলে আহত হন ৬৬ যাত্রী। তাদের আদমদিঘী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নওগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়। ফলে ওই রুটে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা-রাজশাহীর রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।



সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত