দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘর্ষে আরও দুই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) অজ্ঞাত উৎস থেকে হওয়া এক বিস্ফোরণে তাদের বহনকারী যানটি ধ্বংস হয়ে যায়। গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এটি শান্তিরক্ষীদের ওপর দ্বিতীয় প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।
জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউনিফিল) জানিয়েছে, নিহত দুই শান্তিরক্ষী ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এই ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর আগের দিনও একই এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণে আরেকজন ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছিলেন। এই ঘটনাগুলোর তদন্ত শুরু করেছে ইউনিফিল ও ইসরাইলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)।
লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় টায়ার এলাকায় তাদের একটি সেনাচৌকিতে সরাসরি হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে এক লেবানিজ সেনা নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের দাবি, সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম কোনো নির্দিষ্ট সেনাচৌকি লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালানো হলো। অন্যদিকে, বৈরুতে ইসরাইলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।
গত ২ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে হিজবুল্লাহ ইসরাইলে রকেট নিক্ষেপ করলে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এর জবাবে ইসরাইল লেবাননজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করে। লেবানন কর্তৃপক্ষের মতে, এখন পর্যন্ত ১,২০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল জ্যাঁ-পিয়ের লাক্রোয়া এই ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। ফ্রান্স এই বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডেকেছে এবং স্পেনও এই হামলার কঠোর সমালোচনা করেছে। এদিকে, লেবাননের জন্য জাতিসংঘের বিশেষ সমন্বয়কারী জেনিন হেনিস-প্লাসশার্ট অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘর্ষে আরও দুই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) অজ্ঞাত উৎস থেকে হওয়া এক বিস্ফোরণে তাদের বহনকারী যানটি ধ্বংস হয়ে যায়। গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এটি শান্তিরক্ষীদের ওপর দ্বিতীয় প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।
জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউনিফিল) জানিয়েছে, নিহত দুই শান্তিরক্ষী ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এই ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর আগের দিনও একই এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণে আরেকজন ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছিলেন। এই ঘটনাগুলোর তদন্ত শুরু করেছে ইউনিফিল ও ইসরাইলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)।
লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় টায়ার এলাকায় তাদের একটি সেনাচৌকিতে সরাসরি হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে এক লেবানিজ সেনা নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের দাবি, সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম কোনো নির্দিষ্ট সেনাচৌকি লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালানো হলো। অন্যদিকে, বৈরুতে ইসরাইলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।
গত ২ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে হিজবুল্লাহ ইসরাইলে রকেট নিক্ষেপ করলে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এর জবাবে ইসরাইল লেবাননজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করে। লেবানন কর্তৃপক্ষের মতে, এখন পর্যন্ত ১,২০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল জ্যাঁ-পিয়ের লাক্রোয়া এই ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। ফ্রান্স এই বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডেকেছে এবং স্পেনও এই হামলার কঠোর সমালোচনা করেছে। এদিকে, লেবাননের জন্য জাতিসংঘের বিশেষ সমন্বয়কারী জেনিন হেনিস-প্লাসশার্ট অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন