ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ৩২তম দিনে এসে সুর নরম করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা অবস্থাতেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শেষ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
যুদ্ধের এক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, তেহরান আপাতত এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারে। তবে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট দাবি করেছেন, বিশ্ববাজারে তেলের অস্থিরতা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেবে।
সোমবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট জানান, বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ 'পর্যাপ্ত' রয়েছে। অতিরিক্ত সরবরাহ বাজারে এলে তা পরিস্থিতি আরও সহজ করবে। বিভিন্ন দেশ ইরানের সাথে চুক্তিতে যাওয়ায় বাজারে তেলের প্রবাহ বাড়ছে, যা বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি সংঘাত দীর্ঘায়িত না করে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত পথে ইরানকে মোকাবিলা করাই এখন ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হতে পারে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ৩২তম দিনে এসে সুর নরম করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা অবস্থাতেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শেষ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
যুদ্ধের এক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, তেহরান আপাতত এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারে। তবে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট দাবি করেছেন, বিশ্ববাজারে তেলের অস্থিরতা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেবে।
সোমবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট জানান, বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ 'পর্যাপ্ত' রয়েছে। অতিরিক্ত সরবরাহ বাজারে এলে তা পরিস্থিতি আরও সহজ করবে। বিভিন্ন দেশ ইরানের সাথে চুক্তিতে যাওয়ায় বাজারে তেলের প্রবাহ বাড়ছে, যা বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি সংঘাত দীর্ঘায়িত না করে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত পথে ইরানকে মোকাবিলা করাই এখন ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন