দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান (এম আর হাসান)।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগপত্র আসার পর নিয়মানুযায়ী তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনে পর সুপ্রিম কোর্টের যে কয়েকজন বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত শুরু হয়, তাদের অন্যতম ছিলেন বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান।
হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বিচারপতি এম আর হাসান দীর্ঘদিন কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রায় পাল্টে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ আসে প্রধান বিচারপতির কাছে।
এছাড়া নিজ পদের প্রভাব খাটানোরও সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে এই বিচারপতির বিরুদ্ধে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করা হয়। দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক অভিযোগ করে এই আবেদন করেন। তখন সেই আবেদনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
এছাড়া ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানী ইউ-লুপে ট্রাফিক সার্জেন্ট মহুয়ার বাবা মনোরঞ্জন হাজমকে গাড়ি চাপা দেন বিচারপতি রেজাউল হাসানের ছেলে। ওই সময় ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।.

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান (এম আর হাসান)।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগপত্র আসার পর নিয়মানুযায়ী তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনে পর সুপ্রিম কোর্টের যে কয়েকজন বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত শুরু হয়, তাদের অন্যতম ছিলেন বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান।
হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বিচারপতি এম আর হাসান দীর্ঘদিন কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রায় পাল্টে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ আসে প্রধান বিচারপতির কাছে।
এছাড়া নিজ পদের প্রভাব খাটানোরও সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে এই বিচারপতির বিরুদ্ধে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করা হয়। দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক অভিযোগ করে এই আবেদন করেন। তখন সেই আবেদনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
এছাড়া ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানী ইউ-লুপে ট্রাফিক সার্জেন্ট মহুয়ার বাবা মনোরঞ্জন হাজমকে গাড়ি চাপা দেন বিচারপতি রেজাউল হাসানের ছেলে। ওই সময় ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।.

আপনার মতামত লিখুন