যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের উদ্দেশে একটি বিশেষ খোলা চিঠি লিখেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। চিঠিতে তিনি ইরানকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের নেতিবাচক প্রচারণার বিরোধিতা করে দেশটির প্রকৃত অবস্থান ও শান্তিকামী ইতিহাস তুলে ধরেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’তে
এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়।
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে,
আধুনিক ইতিহাসে ইরান কখনোই কোনো দেশের ওপর আগ্রাসন চালায়নি। তিনি বলেন:
"ইরান কখনোই সম্প্রসারণবাদ, উপনিবেশবাদ বা আধিপত্য বিস্তারের
পথ বেছে নেয়নি। আমরা কখনো অন্য কোনো দেশের ওপর আগ বাড়িয়ে আক্রমণ করিনি।"
তবে তিনি সতর্ক করে দেন যে, ইরান আক্রমণকারী না হলেও আক্রান্ত
হলে অত্যন্ত দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে তা প্রতিহত করতে জানে।
ইরানকে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে উপস্থাপন করার
কড়া সমালোচনা করেন পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, ইরানকে শত্রু হিসেবে দেখানো মূলত কিছু ক্ষমতাধর
গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক খেয়ালখুশির ফসল। তার মতে, একটি ‘কৃত্রিম শত্রু’ তৈরির
মাধ্যমে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিম্নোক্ত স্বার্থ হাসিল করতে চায়:
যুদ্ধাপরাধ ও পরিণতির হুঁশিয়ারি
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার চিঠিতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো
এবং সাধারণ মানুষের ওপর যেকোনো ধরনের হামলার পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন,
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও শিল্প অবকাঠামোতে আক্রমণ করা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে ‘যুদ্ধাপরাধ’।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ পরিণতি কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং বিশ্বের আরও বহুদূর পর্যন্ত
বিস্তৃত হতে পারে।
পরিশেষে তিনি ইরানকে মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও ধারাবাহিক
এক সভ্যতা হিসেবে উল্লেখ করে মার্কিন জনগণের কাছে সত্য ও বাস্তবতাকে অনুধাবনের আহ্বান
জানান।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের উদ্দেশে একটি বিশেষ খোলা চিঠি লিখেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। চিঠিতে তিনি ইরানকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের নেতিবাচক প্রচারণার বিরোধিতা করে দেশটির প্রকৃত অবস্থান ও শান্তিকামী ইতিহাস তুলে ধরেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’তে
এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়।
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে,
আধুনিক ইতিহাসে ইরান কখনোই কোনো দেশের ওপর আগ্রাসন চালায়নি। তিনি বলেন:
"ইরান কখনোই সম্প্রসারণবাদ, উপনিবেশবাদ বা আধিপত্য বিস্তারের
পথ বেছে নেয়নি। আমরা কখনো অন্য কোনো দেশের ওপর আগ বাড়িয়ে আক্রমণ করিনি।"
তবে তিনি সতর্ক করে দেন যে, ইরান আক্রমণকারী না হলেও আক্রান্ত
হলে অত্যন্ত দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে তা প্রতিহত করতে জানে।
ইরানকে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে উপস্থাপন করার
কড়া সমালোচনা করেন পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, ইরানকে শত্রু হিসেবে দেখানো মূলত কিছু ক্ষমতাধর
গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক খেয়ালখুশির ফসল। তার মতে, একটি ‘কৃত্রিম শত্রু’ তৈরির
মাধ্যমে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিম্নোক্ত স্বার্থ হাসিল করতে চায়:
যুদ্ধাপরাধ ও পরিণতির হুঁশিয়ারি
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার চিঠিতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো
এবং সাধারণ মানুষের ওপর যেকোনো ধরনের হামলার পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন,
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও শিল্প অবকাঠামোতে আক্রমণ করা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে ‘যুদ্ধাপরাধ’।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ পরিণতি কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং বিশ্বের আরও বহুদূর পর্যন্ত
বিস্তৃত হতে পারে।
পরিশেষে তিনি ইরানকে মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও ধারাবাহিক
এক সভ্যতা হিসেবে উল্লেখ করে মার্কিন জনগণের কাছে সত্য ও বাস্তবতাকে অনুধাবনের আহ্বান
জানান।

আপনার মতামত লিখুন