আগামীকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে বলে জানিয়েছে জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
জানা যায়, নিয়মিত তেল সরবরাহকারী চীনের কোম্পানি ইউনিপ্যাকের এই জাহাজ আসছে সিঙ্গাপুর থেকে। এছাড়া এ মাসে ওই কোম্পানির আরও দুটি জাহাজ জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে।
এই দুটি জাহাজসহ চলতি এপ্রিল মাসেই অন্তত ৪টি জাহাজে করে জ্বালানি তেল আমদানির শিডিউল নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে ৩০ হাজার টনের একটি চালান আসার পর আগামীকালকের এই বড় চালানটি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।
পাশাপাশি ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ২০ হাজার টন ডিজেল আসার প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে বিপিসি বলছে, দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। নিয়মিত জ্বালানি আসছে এবং সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে কখনো কখনো মজুদ কমছে আবার বাড়ছে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এর আগেও মজুদ কমেছে এবং আমদানির মাধ্যমে তা বাড়ানো হয়েছে। তাই ডিজেলের মজুত কমে এলেও নিয়মিত জাহাজের আশার নিশ্চয়তায় সরবরাহ ধরে রাখা নিয়ে আপাতত শঙ্কা দেখছে না জ্বালানি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
আগামীকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে বলে জানিয়েছে জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
জানা যায়, নিয়মিত তেল সরবরাহকারী চীনের কোম্পানি ইউনিপ্যাকের এই জাহাজ আসছে সিঙ্গাপুর থেকে। এছাড়া এ মাসে ওই কোম্পানির আরও দুটি জাহাজ জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে।
এই দুটি জাহাজসহ চলতি এপ্রিল মাসেই অন্তত ৪টি জাহাজে করে জ্বালানি তেল আমদানির শিডিউল নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে ৩০ হাজার টনের একটি চালান আসার পর আগামীকালকের এই বড় চালানটি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।
পাশাপাশি ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ২০ হাজার টন ডিজেল আসার প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে বিপিসি বলছে, দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। নিয়মিত জ্বালানি আসছে এবং সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে কখনো কখনো মজুদ কমছে আবার বাড়ছে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এর আগেও মজুদ কমেছে এবং আমদানির মাধ্যমে তা বাড়ানো হয়েছে। তাই ডিজেলের মজুত কমে এলেও নিয়মিত জাহাজের আশার নিশ্চয়তায় সরবরাহ ধরে রাখা নিয়ে আপাতত শঙ্কা দেখছে না জ্বালানি বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন