চাঁদের পথে মানবজাতির নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। বুধবার রাতে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণের পর (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল) আর্টেমিস দ্বিতীয় মিশনের চার নভোচারী এখন পৃথিবীর কক্ষপথে নিজেদের স্থির করছেন।
১০ দিনের এই ঐতিহাসিক অভিযানের প্রথম কয়েক ঘণ্টাতেই ঘটেছে নানা রোমাঞ্চ, সমাধান হয়েছে কয়েকটি জটিল সমস্যা। নিচে টাইমলাইন ধরে জেনে নিন মূল ঘটনাগুলো-
টয়লেট সংকট
মিশন শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই উদ্বেগজনক খবর আসে। ওরিয়ন ক্যাপসুলের একমাত্র টয়লেটটি বিকল হয়ে যায়। নাসার টিম এই সমস্যা সমাধানে তৎপর হয়। নভোচারী ক্রিস্টিনা কচ নিজেই কয়েকটি পরীক্ষা চালিয়ে টয়লেটটি পুনরায় চালু করতে সক্ষম হন। ফলে ১০ দিনের এই মিশনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন সবাই। বিশেষ করে ক্রু সদস্যরা। কারণ অন্যথায় এই যাত্রা যে আরও অনেক বেশি দীর্ঘ ও কষ্টকর হয়ে পড়ত, তা বলাই বাহুল্য।
(বাঁ থেকে) পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, মিশন স্পেশালিস্ট জেরেমি হ্যানসেন ও ক্রিস্টিনা কোচ
এদিকে, প্রযুক্তিগত সহায়তা নিচ্ছিলেন কমান্ডার রেইড ওয়াইজম্যান। তিনি একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটিং ডিভাইস (পিসিডি) ও আউটলুক ইমেইল ক্লায়েন্টে সমস্যার কথা জানান। পাশাপাশি তিনি জিজ্ঞেস করেন, “কম্ফার্ট গার্মেন্টস” বা আরামের পোশাকগুলো কোথায় রাখা আছে, যা ক্রুরা বিশ্রামের সময় পরে থাকেন।
প্রথম টেস্ট ড্রাইভ
উৎক্ষেপণের সাড়ে তিন ঘণ্টা পর শুরু হয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্ব। এই প্রথম কোনো মানবচালিত ওরিয়ন ক্যাপসুলের ম্যানুয়াল টেস্ট ড্রাইভ নেন পাইলট ভিক্টর গ্লোভার। লক্ষ্য ছিল আইসিপিএস (ইন্টেরিম ক্রায়োজেনিক প্রোপালশন স্টেজ), অর্থাৎ রকেটের ওপরের অংশটি, যেটি তাদের কক্ষপথে এনে পৌঁছেছিল। এই আইসিপিএস-ই ভবিষ্যতে ডকিংয়ের অনুশীলনের জন্য একটি ডামি টার্গেট হিসেবে কাজ করছে।
আর্টেমিস রকেটে ওঠার আগে হাসিমুখে বিদায় নিচ্ছেন মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কোচ
ওরিয়ন ক্যাপসুলটি প্রথমে আইসিপিএস থেকে দূরে সরে যায়। তারপর একটি ‘অটোমেটেড ব্যাকফ্লিপ’ করে আবার সামনে আসে। প্রায় ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট) দূরত্ব থেকে গ্লোভার নিজের চোখ ও ক্যামেরার সাহায্যে দূরত্ব মেপে ধীরে ধীরে মাত্র ১০ মিটারের কাছাকাছি চলে যান। লক্ষণীয়, এই ক্যাপসুলে কোনো ‘রেঞ্জফাইন্ডার’ নেই, যা সঠিক দূরত্ব পরিমাপের যন্ত্র। তাই পুরোটাই নির্ভর করছে ক্রুদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার ওপর। এই অনুশীলন শেষে ক্যাপসুলটি আইসিপিএস থেকে আরও দূরে সরে যায়।
৫ ঘণ্টা পর যাত্রা
উৎক্ষেপণের পাঁচ ঘণ্টা পর শুরু হয় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। আর্টেমিস দ্বিতীয় মিশনের সঙ্গে যুক্ত এক ঝাঁক ‘কিউবস্যাট’ বা ক্ষুদে উপগ্রহ প্রতিটি এক মিনিট ব্যবধানে মহাকাশে পাড়ি জমায়। জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব ও আর্জেন্টিনার স্পেস এজেন্সি সরবরাহ করা এই উপগ্রহগুলো মহাকাশের কঠিন পরিবেশ নানাভাবে পরীক্ষা করবে। যেমন:
জার্মানির ট্যাকেলেস: ভবিষ্যতের চন্দ্রযানের বৈদ্যুতিক উপকরণের ওপর মহাকাশের প্রভাব পরিমাপ করবে।
কে-র্যাড কিউব: ভ্যান অ্যালেন বেল্টের ভয়াবহ রেডিয়েশন মানব টিস্যুর মতো উপকরণের ওপর কী প্রভাব ফেলে, তা যাচাই করবে।
সৌদি স্পেস এজেন্সির কিউবস্যাট: সূর্য থেকে নির্গত শক্তিশালী কণার ‘স্পেস ওয়েদার’ পরিমাপ করবে।
আর্জেন্টিনার আতেনিয়া: রেডিয়েশন শিল্ডিং ও দূরপাল্লার যোগাযোগ ব্যবস্থা পরীক্ষা করবে।
এখন ঘুমানোর পালা
সব জটিল কাজ প্রায় শেষ করে বিশ্রামের প্রস্তুতিতে ক্রু সদস্যরা। উৎক্ষেপণের সাড়ে সাত ঘণ্টা পর তারা প্রি-স্লিপ পিরিয়ড শুরু করেন। ওরিয়ন ক্যাপসুলের ভেতরে বিশ্রামাগারে চার ঘণ্টা ঘুমাবেন তারা। তারপর উঠে একটি কক্ষপথ সমন্বয়ের কাজ করবেন। আবার চার ঘণ্টা ঘুমাবেন। মিশন কন্ট্রোলের ভাষ্যমতে, এতে প্রায় একটি পূর্ণরাতের ঘুমের সমান সময় পাবেন নভোচারীরা।
ওরিয়ন ক্রু ক্যাপসুলে প্রবেশের ঠিক আগে কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, পাশে কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন
মিশন কন্ট্রোল এখন নজর রাখছে আগামী কয়েক ঘণ্টার দিকে। নাসার ফ্লাইট অপারেশন ডিরেক্টরেটের নর্ম নাইট জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় ওরিয়ন ক্যাপসুলের লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম, ইঞ্জিন, নেভিগেশন সবকিছু ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখা হবে। উৎক্ষেপণের সময় প্রকম্পনের (শেক, র্যাটেল অ্যান্ড রোল) কারণে কোনো সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা, তা যাচাই করবেন প্রকৌশলীরা।
চাঁদের পথে..
সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে (ইএসটি) ওরিয়নের ইঞ্জিন আবার জ্বালিয়ে তাকে চাঁদের দিকে পাঠানো হবে। যা ট্রান্সলুনার ইনজেকশন বার্ন নামে পরিচিত। কিন্তু যেকোনো বড় সমস্যা দেখা দিলে মিশন কন্ট্রোলাররা ক্যাপসুলটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিতে পারেন। অর্থাৎ অকালেই শেষ হতে পারে এই পরীক্ষামূলক যাত্রা।
গর্বের মুহূর্ত
এই মিশন নিয়ে কানাডায় বিশেষ উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। কারণ কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী জেরেমি হ্যানসেনই প্রথম কানাডিয়ান হিসেবে চাঁদের মিশনে যাচ্ছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি গর্বের সঙ্গে বলেছেন, “এই মিশনের ফলে কানাডা পৃথিবীর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে তার নভোচারীকে চাঁদে পাঠানোর কৃতিত্ব অর্জন করতে যাচ্ছে।” সূত্র: সিএনএন

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদের পথে মানবজাতির নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। বুধবার রাতে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণের পর (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল) আর্টেমিস দ্বিতীয় মিশনের চার নভোচারী এখন পৃথিবীর কক্ষপথে নিজেদের স্থির করছেন।
১০ দিনের এই ঐতিহাসিক অভিযানের প্রথম কয়েক ঘণ্টাতেই ঘটেছে নানা রোমাঞ্চ, সমাধান হয়েছে কয়েকটি জটিল সমস্যা। নিচে টাইমলাইন ধরে জেনে নিন মূল ঘটনাগুলো-
টয়লেট সংকট
মিশন শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই উদ্বেগজনক খবর আসে। ওরিয়ন ক্যাপসুলের একমাত্র টয়লেটটি বিকল হয়ে যায়। নাসার টিম এই সমস্যা সমাধানে তৎপর হয়। নভোচারী ক্রিস্টিনা কচ নিজেই কয়েকটি পরীক্ষা চালিয়ে টয়লেটটি পুনরায় চালু করতে সক্ষম হন। ফলে ১০ দিনের এই মিশনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন সবাই। বিশেষ করে ক্রু সদস্যরা। কারণ অন্যথায় এই যাত্রা যে আরও অনেক বেশি দীর্ঘ ও কষ্টকর হয়ে পড়ত, তা বলাই বাহুল্য।
(বাঁ থেকে) পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, মিশন স্পেশালিস্ট জেরেমি হ্যানসেন ও ক্রিস্টিনা কোচ
এদিকে, প্রযুক্তিগত সহায়তা নিচ্ছিলেন কমান্ডার রেইড ওয়াইজম্যান। তিনি একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটিং ডিভাইস (পিসিডি) ও আউটলুক ইমেইল ক্লায়েন্টে সমস্যার কথা জানান। পাশাপাশি তিনি জিজ্ঞেস করেন, “কম্ফার্ট গার্মেন্টস” বা আরামের পোশাকগুলো কোথায় রাখা আছে, যা ক্রুরা বিশ্রামের সময় পরে থাকেন।
প্রথম টেস্ট ড্রাইভ
উৎক্ষেপণের সাড়ে তিন ঘণ্টা পর শুরু হয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্ব। এই প্রথম কোনো মানবচালিত ওরিয়ন ক্যাপসুলের ম্যানুয়াল টেস্ট ড্রাইভ নেন পাইলট ভিক্টর গ্লোভার। লক্ষ্য ছিল আইসিপিএস (ইন্টেরিম ক্রায়োজেনিক প্রোপালশন স্টেজ), অর্থাৎ রকেটের ওপরের অংশটি, যেটি তাদের কক্ষপথে এনে পৌঁছেছিল। এই আইসিপিএস-ই ভবিষ্যতে ডকিংয়ের অনুশীলনের জন্য একটি ডামি টার্গেট হিসেবে কাজ করছে।
আর্টেমিস রকেটে ওঠার আগে হাসিমুখে বিদায় নিচ্ছেন মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কোচ
ওরিয়ন ক্যাপসুলটি প্রথমে আইসিপিএস থেকে দূরে সরে যায়। তারপর একটি ‘অটোমেটেড ব্যাকফ্লিপ’ করে আবার সামনে আসে। প্রায় ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট) দূরত্ব থেকে গ্লোভার নিজের চোখ ও ক্যামেরার সাহায্যে দূরত্ব মেপে ধীরে ধীরে মাত্র ১০ মিটারের কাছাকাছি চলে যান। লক্ষণীয়, এই ক্যাপসুলে কোনো ‘রেঞ্জফাইন্ডার’ নেই, যা সঠিক দূরত্ব পরিমাপের যন্ত্র। তাই পুরোটাই নির্ভর করছে ক্রুদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার ওপর। এই অনুশীলন শেষে ক্যাপসুলটি আইসিপিএস থেকে আরও দূরে সরে যায়।
৫ ঘণ্টা পর যাত্রা
উৎক্ষেপণের পাঁচ ঘণ্টা পর শুরু হয় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। আর্টেমিস দ্বিতীয় মিশনের সঙ্গে যুক্ত এক ঝাঁক ‘কিউবস্যাট’ বা ক্ষুদে উপগ্রহ প্রতিটি এক মিনিট ব্যবধানে মহাকাশে পাড়ি জমায়। জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব ও আর্জেন্টিনার স্পেস এজেন্সি সরবরাহ করা এই উপগ্রহগুলো মহাকাশের কঠিন পরিবেশ নানাভাবে পরীক্ষা করবে। যেমন:
জার্মানির ট্যাকেলেস: ভবিষ্যতের চন্দ্রযানের বৈদ্যুতিক উপকরণের ওপর মহাকাশের প্রভাব পরিমাপ করবে।
কে-র্যাড কিউব: ভ্যান অ্যালেন বেল্টের ভয়াবহ রেডিয়েশন মানব টিস্যুর মতো উপকরণের ওপর কী প্রভাব ফেলে, তা যাচাই করবে।
সৌদি স্পেস এজেন্সির কিউবস্যাট: সূর্য থেকে নির্গত শক্তিশালী কণার ‘স্পেস ওয়েদার’ পরিমাপ করবে।
আর্জেন্টিনার আতেনিয়া: রেডিয়েশন শিল্ডিং ও দূরপাল্লার যোগাযোগ ব্যবস্থা পরীক্ষা করবে।
এখন ঘুমানোর পালা
সব জটিল কাজ প্রায় শেষ করে বিশ্রামের প্রস্তুতিতে ক্রু সদস্যরা। উৎক্ষেপণের সাড়ে সাত ঘণ্টা পর তারা প্রি-স্লিপ পিরিয়ড শুরু করেন। ওরিয়ন ক্যাপসুলের ভেতরে বিশ্রামাগারে চার ঘণ্টা ঘুমাবেন তারা। তারপর উঠে একটি কক্ষপথ সমন্বয়ের কাজ করবেন। আবার চার ঘণ্টা ঘুমাবেন। মিশন কন্ট্রোলের ভাষ্যমতে, এতে প্রায় একটি পূর্ণরাতের ঘুমের সমান সময় পাবেন নভোচারীরা।
ওরিয়ন ক্রু ক্যাপসুলে প্রবেশের ঠিক আগে কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, পাশে কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন
মিশন কন্ট্রোল এখন নজর রাখছে আগামী কয়েক ঘণ্টার দিকে। নাসার ফ্লাইট অপারেশন ডিরেক্টরেটের নর্ম নাইট জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় ওরিয়ন ক্যাপসুলের লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম, ইঞ্জিন, নেভিগেশন সবকিছু ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখা হবে। উৎক্ষেপণের সময় প্রকম্পনের (শেক, র্যাটেল অ্যান্ড রোল) কারণে কোনো সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা, তা যাচাই করবেন প্রকৌশলীরা।
চাঁদের পথে..
সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে (ইএসটি) ওরিয়নের ইঞ্জিন আবার জ্বালিয়ে তাকে চাঁদের দিকে পাঠানো হবে। যা ট্রান্সলুনার ইনজেকশন বার্ন নামে পরিচিত। কিন্তু যেকোনো বড় সমস্যা দেখা দিলে মিশন কন্ট্রোলাররা ক্যাপসুলটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিতে পারেন। অর্থাৎ অকালেই শেষ হতে পারে এই পরীক্ষামূলক যাত্রা।
গর্বের মুহূর্ত
এই মিশন নিয়ে কানাডায় বিশেষ উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। কারণ কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী জেরেমি হ্যানসেনই প্রথম কানাডিয়ান হিসেবে চাঁদের মিশনে যাচ্ছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি গর্বের সঙ্গে বলেছেন, “এই মিশনের ফলে কানাডা পৃথিবীর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে তার নভোচারীকে চাঁদে পাঠানোর কৃতিত্ব অর্জন করতে যাচ্ছে।” সূত্র: সিএনএন

আপনার মতামত লিখুন